মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও ফরিদ মিয়ার শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত
শেরপুর প্রতিনিধি২০ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
মেধা তালিকায় স্থান পেয়েও ফরিদ মিয়ার শিক্ষাজীবন অনিশ্চিত

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ডি ইউনিটে মেধা তালিকায় ৪৯তম স্থান অধিকার করেও হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান ফরিদ মিয়ার ভর্তি হওয়া এবং পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিভিন্নজনের সাহায্যে ভর্তি হতে পারলেও নিয়মিত শিক্ষা খরচের যোগান কোত্থেকে আসবে এটাই তার চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ফরিদের বাবার নাম আব্দুল হালিম। তার ৫ সন্তান। দুই মেয়ে, তিন ছেলে। সবাই শিক্ষার্থী। বাড়ির ভিটাটুকুই তার সম্বল। আয়ের উত্স বাঁশ দিয়ে হাত পাখা তৈরি করে হাটে-বাজারে বিক্রি করা। আর শীত মৌসুমে দিনমজুরের কাজ।

হাতপাখা তৈরি ও বিক্রিতে পরিবারের সবাই সাহায্য করে। মেধাবী ফরিদও ক্লাস শেষে বাড়ি ফিরে হাতপাখা তৈরি করে। ছুটির দিনে হাটে-বাজারে গিয়ে পাখা বিক্রিও করে। এতকিছুর পরেও অভাব তাদের পিছু ছাড়ে না। আর্থিক সংকটের কারণে কিছুদিন তার পড়াশোনা বন্ধ ছিল। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘ডপস্’-এর সহযোগিতায় সে আবার শিক্ষাজীবনে ফিরে এসেছে। তার বড়বোন শেরপুর সরকারি কলেজে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স পড়ছে। ছোট ১ ভাই ১ বোন এবার দশম শ্রেণিতে। কনিষ্ঠ ভাই পঞ্চম শ্রেণির সমাপনী পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ৫ ভাই-বোনের শিক্ষার খরচ যোগান দেওয়া তার গরীব পিতার পক্ষে খুবই কষ্টকর। যদি কোনো সহূদয় ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ মেধাবী ৫ ভাই-বোনের সাহাযার্থ্যে হাত বাড়িয়ে দেন তাহলে এদের শিক্ষাজীবন সচল থাকতে পারে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২০ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:১৪
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৭
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
পড়ুন