ঝিনাইগাতীর সোমেশ্বরী নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন
২৭ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
ঝিনাইগাতীর সোমেশ্বরী নদী  থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

g ঝিনাইগাতী (শেরপুর) সংবাদদাতা 

ঝিনাইগাতী উপজেলার সোমেশ্বরী নদীর তাওয়াকুচা ও বালিজুরী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন  ধরে এখানে চলছে বালু লুটপাট।

এতে একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। অপরদিকে সরকার বঞ্চিত হচ্ছে লাখ লাখ টাকা রাজস্ব আয় থেকে। জানা যায়, স্থানীয় বালুদস্যুরা ঝিনাইগাতী উপজেলার তাওয়াকুচা ও শ্রীবরদী উপজেলার বালিজুরী, খাড়ামুড়াসহ আশ-পাশের এলাকা থেকে বালু লুটপাট করে আসছে। বালুদস্যুরা ২৫/৩০টি স্যালো মেশিন বসিয়ে অবাধে বালু লুটপাট করে আসছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, এখান থেকে প্রতিদিন গড়ে ৪০/৫০ ট্রাক বালু উত্তোলন ও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। দিনে-রাতে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। বালু ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে জানা গেছে, প্রতি ট্রাক বালু বিক্রি করা হয় ৮ থেকে ৯ হাজার টাকা। এতে প্রতিদিন গড়ে ৩/৪ লাখ টাকা মূল্যের বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।

জেলা প্রশাসক ড. মল্লিক আনোয়ার হোসেনের পক্ষ থেকে বালু উত্তোলনের ব্যাপারে কড়া নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু এ নিষেধাজ্ঞার পরও অবাধে উত্তোলন করা হচ্ছে বালু। অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে নদী ভাঙন।

গত বছর অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে বালুদস্যুদের হাতে নাজেহাল ও হামলার শিকার হন তাওয়াকুচা সীমান্ত বিজিবি ক্যাম্পের সদস্যরা। এ নিয়ে মামলা-মোকদ্দমাও হয় বলে জানা গেছে।

সম্প্রতি অভিযান চালিয়ে ৪টি বালু উত্তোলন যন্ত্র ধ্বংস ও ১৫/২০ ট্রাক বালু জব্দ করা হয় বলে জানান ইউএনও ফারহানা করিম। এ বিষয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে প্রত্যক্ষ করা গেছে জব্দকৃত বালু পরিবহণ করে নিয়ে যাচ্ছে ওই বালুদস্যুরা। এ প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যে অভিযান চালিয়ে ২/১টি বালু উত্তোলন যন্ত্র ধ্বংস করা হলেও স্থায়ীভাবে বালুদস্যুদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করায় এটাকে আইওয়াশ বলে আখ্যায়িত করেছেন তারা।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:১৮
যোহর১২:০০
আসর৩:৪৪
মাগরিব৫:২৩
এশা৬:৪১
সূর্যোদয় - ৬:৩৯সূর্যাস্ত - ০৫:১৮
পড়ুন