বিপর্যয়ে শ্রীবরদীর চালকল শিল্প
০৫ এপ্রিল, ২০১৮ ইং
বেকার মালিক ও কর্মচারীরা

শ্রীবরদী (শেরপুর) সংবাদদাতা

শ্রীবরদী উপজেলায় খাদ্য বিভাগীয় লাইসেন্স করা ১’শরও বেশি চালকল রয়েছে। এসব কল থেকে সরকার খাদ্য বিভাগের মাধ্যমে আপদকালীন সময়ের জন্য সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত মূল্যে চাল সংগ্রহ করে। কিন্তু প্রাকৃতিক কারণে কয়েক বছর যাবত্ উপজেলায় ধানের ফলন কম এবং মান খারাপ থাকায় চাল কম উত্পাদন হচ্ছে। এতে চালকলগুলো লোকসানের মুখে পড়ে। ফলে ২০১৭ মৌসুমে ৮০ ভাগ চালকল খাদ্য বিভাগের সঙ্গে সরবরাহের চুক্তি সম্পাদন করতে ব্যর্থ হয়। উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ঘুরে চালকল মালিক, কর্মচারী ও শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বললে এসব তথ্য উঠে আসে।

একাধিক চালকল মালিক বলেন, দীর্ঘদিন যাবত্ ব্যবসায় ক্ষতির কারণ ও খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে প্রচুর টাকা বাকি থাকায় বেশিরভাগ মিল বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে চালকল মালিক, কর্মচারী এবং শ্রমিক বেকার হয়ে পড়েছেন। অপরদিকে আয় বন্ধ হওয়ার ফলে চালকল মালিকরা ব্যাংকের সুদ ও ঋণের টাকা পরিশোধও করতে পারছেন না। ২০১৮ বোরো মৌসুমেও উপজেলার ওই চালকলগুলো যদি খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করে চাল সরবরাহ করতে না পারে তাহলে বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

উপজেলা চালকল মালিক সমিতির সভাপতি একেএম গোলাম কিবরিয়া বলেন, চলতি মৌসুমে বোরো ফসলের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা আছে। খাদ্য বিভাগ চালকল, মালিক, কর্মচারী, শ্রমিক ও কৃষকের স্বার্থের কথা চিন্তা করে চুক্তি সম্পাদন করলে চালকল মালিকরা উত্কৃষ্ট মানের ভালো চাল দেবে বলে জানান তিনি।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুল্লাহ ইবনে হোসাইন বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা আসেনি। নির্দেশনা আসলেই চালকল মালিকদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে খাদ্য বিভাগের সঙ্গে চুক্তির ব্যবস্থা করা হবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৫ এপ্রিল, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩০
যোহর১২:০২
আসর৪:৩০
মাগরিব৬:১৯
এশা৭:৩২
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৬:১৪
পড়ুন