১২ গ্রামের মানুষের ভরসা দুটি সাঁকো!
০৬ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
১২ গ্রামের মানুষের ভরসা দুটি সাঁকো!
গঙ্গাচড়া (রংপুর) সংবাদদাতা                  

গঙ্গাচড়া উপজেলার মর্নেয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ মৌভাষা ও শেখ পাড়া এলাকায় মানাস নদীতে নির্মিত দুটি বাঁশের সাঁকোই ভরসা ১২ গ্রামের মানুষের। নড়বড়ে সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ পারাপার হয়। মর্নেয়া, বকসা, কইপাড়া, গুলালবুদাই, দক্ষিণ মৌভাষা এলাকার মানুষের রংপুর ও হারাগাছ যাতায়াতের মাধ্যম এটি। যুগ যুগ ধরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপার হচ্ছে লোকজন। বর্ষাকালে দুর্ভোগ আরো বাড়ে।

অপরদিকে শেখ পাড়া এলাকায়ও যুগ যুগ ধরে বাঁশের সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে স্থানীয় লোকজন।

স্থানীয় লোকজন জানান, গত বছর চাঁদা তুলে পিলার দেওয়া হলেও বন্যায় তা ভেঙে যায়। এই সাঁকো দিয়ে মহিষখোচা, গোবর্ধন, কালমাটি, সাপটিবাড়ি, কামদিয়া ও শেখপাড়ার প্রায় পাঁচ/ছয় হাজার লোক প্রতিদিন রংপুরসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। তাছাড়া স্কুল ও কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরাও এ সাঁকো দিয়ে চলাচল করে থাকে।

তালপট্টি এলাকার মহুবর বলেন, প্রতিদিন এদিক দিয়ে যাতায়াত করি। বর্ষার সময় অনেক সমস্যা হয়। দুর্ঘটনাও ঘটে।

সরেজমিনে দেখা যায়, নড়বড়ে খুঁটির উপর দাঁড়িয়ে আছে বাঁশের এই সাঁকো দুটি। কোথাও ভেঙে গেছে। সাইকেল কিংবা ভারি মালামাল নিয়ে চলাচল করা দুষ্কর।  

মর্নেয়া ইউপি চেয়ারম্যান মোসাদ্দেক আলী আজাদ বলেন, বাঁশের সাঁকোই এলাকার মানুষের একমাত্র ভরসা। শেখ পাড়ায় গত বছর লোকজন চাঁদা তুলে পিলার দিয়ে যাতায়াতের ব্যবস্থা করলেও বন্যায় তা ভেঙে যায়। এ দুটি সাঁকোই এখন মর্নেয়ার লোকজনের কষ্টের কারণ। নতুন করে ব্রিজ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ করা হচ্ছে। টাকা বরাদ্দ হলে ব্রিজ দুটি করা সম্ভব।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৬ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৬
যোহর১১:৪৭
আসর৪:০৩
মাগরিব৫:৪৫
এশা৬:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:৫১সূর্যাস্ত - ০৫:৪০
পড়ুন