ঝিনাইদহে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব, দিশেহারা মানুষ
০৬ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহ জেলায় শহর গ্রামে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব বেড়েছে। গত ৯ মাসে অন্তত ৪ হাজার মানুষকে কুকুর কামড়েছে। সে সঙ্গে বাড়ছে বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যাও।  এসব কুকুরের অধিকাংশ রোগাক্রান্ত। আর মরণ ব্যাধি জলাতঙ্ক রোগের প্রধান বাহক কুকুর। শুধু মানুষ নয়, গবাদি পশুকেও কুকুর কামড়ে দিচ্ছে। এ থেকে রক্ষার একমাত্র উপায় প্রতিষেধক এন্টি র্যাবিশ ভ্যাকসিন নেওয়া। ঝিনাইদহ জেলায় একমাত্র সদর হাসপাতাল থেকে এন্টি র্যাবিশ ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয়। কিন্তু চাহিদা মতো এ দামি  ভ্যাকসিন সরবরাহ করা হয় না। কুকুরে কামড়ানোর ৫ দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন নিতে হয়। বাইরে ওষুধের দোকানে বিভিন্ন কোম্পানির এন্টি র্যাবিশ ভ্যানসিন পাওয়া যায়। তবে দাম দু’ হাজার টাকা থেকে ২২শ’ টাকা। দরিদ্র রোগীদের পক্ষে তা কেনা কষ্টকর।

ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আইয়ুব আলি জানান, এন্টি র্যাবিশ ভ্যাকসিন ঢাকার মহাখালীতে লোক পাঠিয়ে আনতে হয়। তাও চাহিদা মতো সরবরাহ করা হয় না। তিনি জানান, একমাত্র সদর হাসপাতাল থেকে ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২২শ’ এর বেশি কুকুরে কামড়ানো রোগীকে এআরভি ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। ওষুধের দোকান থেকে যারা এআরভি ইনজেকশন কিনে দিয়েছে তাদের হিসেব নেই।

ঝিনাইদহ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. হাফিজুর রহমান জানান, কুকুর, কাক, শকুন প্রভৃতি প্রাণী প্রকৃতির সুইপার। এরা বিভিন্ন নোংরা জিনিস খেয়ে ফেলে।  জলাতঙ্ক  যাতে না ছড়াতে পারে এজন্য পৌর এলাকাতে কুকুরকে এন্টি র্যাবিশ ভ্যাকসিন দেওয়া হতো। ২০১৪ সাল থেকে তা বন্ধ রয়েছে। মানুষ সচেতন হয়েছে। কিন্তু গরু বাছুরকে কামড়ালে মানুষ সচেতন হয় না। এন্টি র্যাবিশ ভ্রাকসিন দেয় না। মাঝে মধ্যে জলাতংকে আক্রান্ত হয়ে গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায় বলেন তিনি।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৬ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৬
যোহর১১:৪৭
আসর৪:০৩
মাগরিব৫:৪৫
এশা৬:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:৫১সূর্যাস্ত - ০৫:৪০
পড়ুন