‘আমার গানগুলো মনে হয় চলচ্চিত্রের জন্য নয়’
৩০ এপ্রিল, ২০১৫ ইং
‘আমার গানগুলো মনে হয় চলচ্চিত্রের জন্য নয়’
রোজার ঈদেই রিলিজ পাচ্ছে জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী তপুর চতুর্থ একক অ্যালবাম। চলছে এখন তার সেই প্রস্তুতি। নিজের অ্যালবাম প্রস্তুতির পাশাপাশি মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির চলমান বিষয়গুলো নিয়ে কথা বললেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু।

নতুন অ্যালবাম কবে আসছে?

নতুন অ্যালবামের কাজ চলছে। এটি আমার চতুর্থ একক অ্যালবাম। রোজার ঈদে অ্যালবামটি রিলিজ দেবো। এখন পর্যন্ত ৫টি গান তৈরি করা হয়েছে। আরও ৩-৪টি গান করবো। অ্যালবামের বেশিরভাগ গান আমি লিখেছি। কয়েকটি গান স্যামুয়েল লিখেছে। এবার কোনো ডুয়েট থাকছে না। সবগুলো গান একক। অ্যালবামটি নিয়েই এখন ব্যস্ততা। নাম এখনও ঠিক করা হয়নি।

এখন অ্যালবামের চেয়ে মিউজিক ভিডিও রিলিজ নিয়েই সবাই ব্যস্ত। এখানে শিল্পীরা আর্থিক দিক থেকে সাপোর্ট পেলেও মান কতটা বজায় থাকছে।

আমার অ্যালবামের একটি গানেও মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করবো। তবে সেটা অ্যালবাম রিলিজের আগে নয়। অ্যালবাম রিলিজ করে তারপর মিউজিক ভিডিও রিলিজ দেবো। এখন বিশ্বের সব জায়গায় অ্যালবামের গুরুত্ব কমে যাচ্ছে। একটি গান ও মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করছে। সেই ধারাটি আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে, এটি ইতিবাচক। তবে মানের দিকটা অবশ্যই ঠিক রাখতে হবে। দর্শকদের মাঝে একঘেয়েমি চলে এলে সেটা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

আপনাদের ব্যান্ডের সক্রিয়তা কেমন?

ব্যান্ডের সক্রিয়তা বেশ ভালো। আমরা নিয়মিতই প্রাক্টিস করছি। আগামী কোরবানির ঈদে আমাদের দ্বিতীয় অ্যালবাম রিলিজ দেবো। সেই প্রস্তুতিও চলছে। গানগুলো তৈরি হচ্ছে। এর আগে ২০০৬ সালে আমাদের প্রথম অ্যালবাম ‘দাগ’ রিলিজ পেয়েছিল। এবার দ্বিতীয় অ্যালবামের কাজ চলছে।

একক গানে আপনাকে নিয়মিত দেখা গেলেও ব্যান্ডে অনিয়মিতর কারণ কী?

আসলে আমরা পাঁচজন সদস্য। সবাই নিজের জায়গা থেকে ব্যস্ত। তাই সবার সময় একসাথে মিললেই কাজ করা হয়। তবে প্রায় নিয়মিতই আমরা বসি, প্রাক্টিস করি।

এখন গানের হিট বোঝার জন্য ইউটিউবকে অনেকে বেছে নিচ্ছেন, কিন্তু এখানেও সস্তা অনেক ভিডিও হিট প্রচুর। এই বিষয়ে কী বলবেন?

প্রথমত, ইউটিউব আন্তর্জাতিক একটি বাজার। তাই এখানে সবাই মিউজিক ভিডিও আপলোড দিতে পারছে। আমাদের দেশেও মিউজিক ভিডিওর জন্য ওয়েবসাইট আসছে। আশা করছি এটি মানের দিক থেকে একটি নিয়ম ধারায় থাকবে। আরও একটি বিষয় শিল্পীরা বিরম্বনায় পড়ে। আন অফিশিয়াল অনেকে মিউজিক ভিডিও ইউটিউবে আপলোড করে। তাই হিটগুলো ভাগ হয়ে যায়। সেই বিষয়টির সমাধানও অনেকে জানেন না।

প্লেব্যাকে অনিয়মিত কেন?

আমি তো প্লেব্যাক করতে চাই। কিন্তু  আমার গানগুলো মনে হয় চলচ্চিত্রের জন্য নয়। তাই তেমন কোনো প্রস্তাব পাচ্ছি না। তবে আমার আগ্রহ আছে। আমি চলচ্চিত্রে গান গাইতে চাই। প্রস্তাব পেলে অবশ্যই করবো।

এই প্রতিকূলতার মাঝে আমাদের ইন্ডাস্ট্রির অবস্থা কোন দিকে এগোচ্ছে?

অবশ্যই ভালো। অডিও বাজারের ধ্বসের পর এখন অনেকে সম্ভাবনা খুঁজে পেয়েছেন। একটি পদ্ধতি পরিণত হতে সময় লাগে। সেই সময়টা খুব শিগগিরই হয়তো শেষ হবে। আমরাও ভালো একটা অবস্থায় যাবো।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন