‘প্রবাস থেকে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে দেশে গান করতে আসি’
২০ ডিসেম্বর, ২০১৭ ইং
‘প্রবাস থেকে অনেক প্রত্যাশা নিয়ে দেশে গান করতে আসি’

সঙ্গীতশিল্পী তানভীর শাহীন। মার্কিন প্রাবাসী এই সঙ্গীতশিল্পী বাইরের ব্যস্ততা থাকলেও বছরের একবার দেশে আসেন, দেশ ও  গানকে ভালোবেসে। আর প্রতিবারই গানের মধ্য দিয়েই চলে তার ব্যস্ততা। সেই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি দেশে এসে নতুন অ্যালবামের কাজ শুরু করেছেন তিনি। নতুন বছরের শুরুতে নতুন অ্যালবাম রিলিজ দেওয়া হবে। নতুন এই অ্যালবাম ও অডিও বাজারের বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন বিনোদন প্রতিদিনের সাথে। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন মোস্তাফিজ মিঠু

প্রায় এক বছর পর দেশে এলেন। কেমন আছেন?

দেশের মাটিতে পা দেওয়ার পর এমনিতেই মন ভালো হয়ে যায়।

প্রতিবার দেশে আসার পর আপনাকে গান নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায়। এবারে ব্যস্ততাগুলো প্রসঙ্গে বলুন—

দেশে আসার অন্যতম উদ্দেশ্য থাকে গান করা। এবারও তেমন একটি উদ্দেশ্য রয়েছে। নতুন বছরের জানুয়ারি মাসে আমার নতুন অ্যালবাম রিলিজ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। সেলিব্রেটি সাউন্ডল্যাব-এর ব্যানারে এই অ্যালবামটিতে মোট ১০টি গান রয়েছে। ‘কিষাণমাঝি’ বা ‘ময়ূরপঙ্খী’ এই দুটি থেকে একটি নাম হয়তো অ্যালবামের শিরোনাম থাকবে। তবে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। অ্যালবামটি রেকর্ডিংয়ের জন্য দেশের আসার পর কয়েকদিনের জন্য কলকাতায় যাই। সেখানে গানগুলোর রেকর্ডিং করে এসেছি। কলকাতার দূর্বাদল চট্টোপাধ্যায় অ্যালবামটির সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন। এখানে আলাউদ্দিন আলীর সুরে ৩টি ও মাহমুদ জুয়েলের সুরে ২টি গান থাকবে। এছাড়াও রয়েছে গাজী মাজহারুলের ২টি লেখা গান। অ্যালবামে ২টি ডুয়েট গান রয়েছে। একটি অণিমা রায়ের সঙ্গে একটি রীবন্দ্রসঙ্গীত ও কলকাতার অদ্বিতির সাথে একটি গান থাকছে।

অ্যালবামটি অনেকটা ভিন্নভাবে সাজানোর চেষ্টা করেছি।

একবছরে দেশের অডিও অবস্থার পরিবর্তনটা কিভাবে দেখছেন?

পরিবর্তন তো অবশ্যই রয়েছে। সঙ্গীতাঙ্গনের আমেজটা এখন মিস করছি। কারণ গতবার যখন এসেছিলাম অডিও বাজারের ভালো একটি রমরমা অবস্থা চলছিল। অনেক অডিও কোম্পানি নতুন করে যাত্রা শুরু করছিল। অ্যালবাম নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন অনেকগুলো করিকল্পনা ছিল। তবে এবার আর সেই আমেজটা পাচ্ছি না। তাই হতাশার কথাগুলোই বলতে হচ্ছে। গানটা মনে হয় কমে যাচ্ছে।

এখনতো মিউজিক ভিডিওর সময় চলছে। আপনার গানগুলোর মিউজিক ভিডিও নিয়ে কোনো পরিকল্পনা আছে কি?

সেটি তো রয়েছে। আমি জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে আছি। এরমধ্যে মিউজিক ভিডিওর কাজ শেষ করবো।

এখন অডিও বাজার ডিজিটাল রূপে পুরোপুরি প্রকাশ হচ্ছে। দেশের বাইরে ডিজিটাল অডিও বাজারের সাথে আমাদের দেশের পার্থক্যটা কেমন মনে করেন?

আমার কাছে ভালোই মনে হচ্ছে। আমাদের এখানে রিংটোন সংযোজন রয়েছে। যা অনেক জায়গায় নেই। এটি আমাদের জন্য ইতিবাচক। এছাড়া শ্রোতারাও কাটেক্ট হতে পারছে।

তবে স্বচ্ছতার জায়গাটা কতটুকু রয়েছে আপনি মনে করেন?

এখানে একটু দ্বিমত রয়েছে। কারণ আমার গান কোথায় কোথায় পাওয়া যাচ্ছে। কতজন ডাউনলোড করছে এই হিসাব কিন্তু শিল্পী পান না। এই জায়গায় স্বচ্ছতা থাকতে হবে। কারণ শিল্পীরা না বাঁচলে অডিও বাজার ডিজিটাল হলেও লাভ নেই।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২০ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:১৪
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৭
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
পড়ুন