‘১২০০ জনকে বাছাই আমি একদিনেই করতে পারি’
০৬ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
‘১২০০ জনকে বাছাই আমি একদিনেই করতে পারি’
বিশ্বসুন্দরী বাংলাদেশ ২০১৮-এর ইভেন্ট নিয়ে বিচারক ও প্রতিযোগীর কথা নিয়ে ট্রল চলছেই। বারবার নানা বিষয় নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করছে অনেকেই। তারকাদের ভেতরেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া। এসব বিষয় নিয়ে নানা প্রশ্নের জবাব দিলেন এর প্রধান আয়োজক ও পৃষ্ঠপোষক অন্তর শোবিজের কর্ণধার স্বপন চৌধুরী। বিনোদন প্রতিদিনের সাথে খোলামেলা কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাত্কার নিয়েছেন নুরুল করিম

‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ-২০১৮’ শেষ হলো। পুরো আয়োজন নিয়ে আপনার মন্তব্য কী?

অনেক ভালো একটি আয়োজনের ইতি ঘটেছে। গতবারও সফল ছিলাম, এবার তার চেয়ে অনেকগুণ সফল। বিশ্বে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করার জন্য যেমন প্রতিযোগী খুঁজেছিলাম সেরকমই পেয়ে গেছি। সেরা ৫ জন প্রতিযোগী অনেক ভালো ছিল। তবে জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী সবার মাঝে বেষ্ট।

 

ঐশীকে নিয়ে আপনাদের পরবর্তী পরিকল্পনা কী?

ঐশীর এখন গ্রুমিং চলছে। চীনের জন্য তাকে শতভাগ প্রস্তুত করা হবে এই সময়ের মধ্যে।

 

অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, ১২০০ প্রতিযোগী থেকে এক মাসের মধ্যে কিভাবে ১০ জনকে বাছাই করা সম্ভব হয়েছে? যেখানে অন্যান্য প্রতিযোগিতাগুলো প্রচুর সময় নেয়...

১২০০ জন থেকে বাছাই করে কিভাবে ১০ জনে নিয়ে এলাম সেটা নিয়ে যারা প্রশ্ন করছে তারা এসব প্রতিযোগিতা নিয়ে কতটুকু জানে বা বোঝে? এ রকম ১২০০ জনকে বাছাই আমি একদিনে করতে পারি। আমি যদি ৫০ জনকে দায়িত্ব দিই বাছাই করতে তাহলে কতক্ষণ সময় লাগবে সেটা হিসেব করলেও তো বোঝা যায়। আমি এবার প্রেস কনফারেন্সও করিনি, কারণ এসব করে কী লাভ? শুধু টাকা খরচ!

 

এবারের প্রতিযোগিতা নিয়ে অনেক সমালোচনা হয়েছে। প্রতিযোগীদের মেধা, প্রশ্ন-উত্তর পর্বসহ নানা বিষয়ে ট্রলও করা হচ্ছে। এ নিয়ে আপনার মন্তব্য কী?

এই প্রতিযোগিতা নিয়ে অনেক নেতিবাচক লেখালেখি হয়েছে/হচ্ছে, সেটা আমি জানি। কিন্তু এসব করে কী লাভ? আমরা এইচ-টু-ও নিয়ে পড়ে আছি এখনো। তারা কি জানে এই সমালোচনাগুলো দেশকে কতটা পিছিয়ে দিচ্ছে? আমরা নাকি তথ্যপ্রযুক্তির দেশে বসবাস করছি। আসলে আমরা তো ১০০ বছর পিছিয়ে আছি। এখনো মানুষ গুঞ্জন নিয়ে পড়ে আছে। বলে, গুঞ্জন শোনা যায়! কিন্তু কে বলেছে কথাটা সেটা বলাই যায়।

 

বিচাকদের নিয়েও অনেক সমালোচনা হয়েছে...

একটা বিশেষ পত্রিকায় অনেকগুলো ভূয়া নিউজও প্রকাশ করা হয়েছে। শাফিন-হামিম আসবে না, শুভ্রদেব বিচারকের আসনে বসবে না, আরো কত কী! কিন্তু শেষ পর্যন্ত সত্য তো উন্মোচিত হয়েছে। আর হামিম-শাফিন না এলে আমার কী আসে যায়, তাদের জন্য অনুষ্ঠান আটকে থাকবে নাকি! আমার ইমেজ আছে, আমার টাকা আছে—আমি চাইলে যা কিছু করতে পারি। আমি তো ফকির না। এত বড় আয়োজন বাংলাদেশে আমি আয়োজন করেছি। আর তো কেউ পারলো না। তাহলে এত বড় বড় কথা কিসের!
 

মঞ্চে মাহফুজুর রহমানের গান পরিবেশ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা হয়েছে। বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখছেন?

মাহফুজুর রহমানকে অনুষ্ঠানে গান গাওয়ানোর বিষয়ে আমার কোনো পরিকল্পনা ছিল না। কিন্তু অনেকে যখন ওনাকে রিকোয়েস্ট করলো তখন উনিও গাইতে শুরু করলেন। কিন্তু সবচেয়ে বড় সত্য হচ্ছে, তিনি সবার কাছে বিনোদনের পাত্র। ওনার গান গাওয়া শেষে সবাই হাততালি দিয়েছে। তার মানে সবাই বিনোদন পেয়েছে। উনি গান গাইতে পারেন না, সেটা সবাই জানে! তারপরও উনি গান গেয়ে থাকেন। কারণ তিনি সহজ-সরল মানুষ।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৬ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৬
যোহর১১:৪৭
আসর৪:০৩
মাগরিব৫:৪৫
এশা৬:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:৫১সূর্যাস্ত - ০৫:৪০
পড়ুন