উত্তর কোরীয় কূটনীতিক বহিষ্কার
আজকের মধ্যে ঢাকা ত্যাগের নির্দেশ
বিশেষ প্রতিনিধি০৮ আগষ্ট, ২০১৬ ইং
অবৈধ পণ্য আমদানি ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অপরাধে উত্তর কোরীয় এক কূটনীতিককে বহিষ্কার করেছে সরকার। বাংলাদেশে উত্তর কোরিয়া দূতাবাসের ফার্স্ট সেক্রেটারি হান সন ইককে আজ সোমবারের মধ্যে ঢাকা ত্যাগের নির্দেশ দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সূত্র জানায়, উত্তর কোরিয়ার কিছু কূটনীতিকের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে কয়েকদিন ধরে। কূটনৈতিক শিষ্টাচারকে উপেক্ষা করে স্বর্ণ, মদ, ইলেক্ট্রনিক্স                 সামগ্রীসহ অন্যান্য অবৈধ পণ্য আমদানির বেশকিছু তথ্য উদঘাটন করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের শুল্ক ও গোয়েন্দা বিভাগ। অভিযুক্ত কূটনীতিকদের বিষয়ে ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নিতে অনুরোধ জানিয়ে রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) গত সপ্তাহে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয়। 

সূত্র মতে, আগেও ঢাকাস্থ উত্তর কোরিয়ার কয়েকজন কূটনীতিকের অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল। তবে সমপ্রতি উত্তর কোরিয়ার দূতাবাসের নামে আসা একটি কন্টেইনার পরীক্ষা করে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা দামের ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী, বিদেশি সিগারেটসহ অবৈধ পণ্য পাওয়া যায়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুল্ক ও গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা গত মাসে কমলাপুর আইসিডিতে অভিযান চালিয়ে এসব অবৈধ পণ্য জব্দ করে। অভিযানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি ছাড়াও সিএন্ডএফ এজেন্টরা উপস্থিত ছিলেন। এখনো আরো একাধিক কন্টেইনার নজরদারিতে আছে।

শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান ইত্তেফাককে বলেন, অতীতেও এ দূতাবাসের কিছু কূটনীতিকের শুল্ক সংক্রান্ত অপরাধ প্রমাণ হয়েছে। স্বর্ণ, মদ, যৌন উত্তেজক ওষুধসহ অন্যান্য অবৈধ পণ্য উদ্ধার করেছি। একজন কূটনীতিকের কাছ থেকে ২৭ কেজি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়েছে। গুলশানের একটি রেস্টুরেন্টে অভিযান চালিয়ে মদ ও অন্যান্য অবৈধ পণ্য আটক করা হয়। তখন সরকারি কাজে তারা বাধা দিয়েছিলেন। ২০১২ সালেও মদের চালান আটক করে ২৫ লাখ টাকা জরিমানাও করা হয়েছিল।

চলতি বছর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সদস্য দেশগুলোতে আমদানি করা উত্তর কোরিয়ার সব ধরনের কার্গো পরীক্ষা করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশের আইনের ব্যত্যয় পাওয়া গেলে অভিযুক্ত কূটনীতিককে বহিষ্কার করতে হবে। সেই বিবেচনায় দায়ী কূটনীতিকরা বহিষ্কার হওয়ার কথা। ড. মইনুল খান বলেন, আমরা অবৈধ পণ্য পেয়েছি। অতীতে তাদের কিছু অপকর্মের প্রমাণ পাওয়ার পর তলব করা হয়েছিল।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন