নরসিংদীতে তিন সহোদরকে গলাটিপে হত্যা, আরেক ভাইকে কুপিয়ে জখম
২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ ইং
নরসিংদী প্রতিনিধি

নরসিংদী সদর উপজেলায় তিন শিশু ভাইবোনকে গলাটিপে হত্যার অভিযোগে বড় ভাইকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার সকালে আলোকবালী গ্রামের পূর্বপাড়া থেকে পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

নিহতরা হলো— ওই গ্রামের আবু কালাম মিয়ার মেয়ে মরিয়ম (৬), মার্জিয়া (৩) ও ছেলে ইয়াছিন (১০)। আটক বড় ভাইয়ের নাম রুবেল মিয়া (২২)। নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা স্থানীয়দের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে রুবেল মিয়া তার ঘুমন্ত ছোট ভাই ইয়াসিন, ছোট বোন মরিয়ম ও মার্জিয়াকে গলাটিপে হত্যা করে ঘরেই কাঁথা দিয়ে ঢেকে রেখে চলে যায়। পরে সে পাশের মাদ্রাসায় তাদের সবচেয়ে বড়ভাই মুফতি আতিকুর রহমানকে গিয়ে জানায়, মা অসুস্থ। মুফতি আতিকুর এ কথা শুনে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। পথিমধ্যে রুবেল তাকে দা দিয়ে কোপাতে থাকে। এসময় আতিকের চিত্কারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে রুবেল পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুফতি আতিকুর রহমানকে (২৫) উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠায়। এখবর পেয়ে আতিকুরের মা নরসিংদী সদর হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে ঘরে গিয়ে দেখেন  ইয়াছিন, মরিয়ম ও মার্জিয়া মৃত অবস্থায় পড়ে আছে।

এই হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা থানায় খবর দেয়। বুধবার সকালে স্থানীয়রা রুবেলকে ধরতে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে পাশের একটি জঙ্গলে রুবেলকে পেয়ে ধরে এনে বেঁধে রেখে পুলিশে খবর দেয়। নরসিংদী সদর থানার এসআই মোতাব্বির ঘটনাস্থলে গিয়ে মানুষের হাতে আটক রুবেলকে নরসিংদী সদর থানায় নিয়ে আসে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, আটকের পর রুবেল জানায় বাবা ছাড়া সবাইকে সে মেরে ফেলতে চায়।

নরসিংদী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা আরো জানান,  রুবেলকে এখনো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়নি। কিছুটা সময় দেয়া হয়েছে। তাকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড চাওয়া হবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০ ইং
ফজর৫:১০
যোহর১২:১৩
আসর৪:২১
মাগরিব৬:০১
এশা৭:১৪
সূর্যোদয় - ৬:২৬সূর্যাস্ত - ০৫:৫৬
পড়ুন