ভারত থেকে মরা গরু ও মুরগির মাংস আসত বাংলাদেশে!

কলকাতা ও আশপাশের ভাগাড় থেকে জোগাড় করা মরা গরু, মুরগির মাংস প্যাকেটে করে বাংলাদেশ, নেপালে পাঠাতে সীমান্তে লিঙ্কম্যান নিয়োগ হয়েছিল। তারা কারা, খোঁজ করছে পুলিস। মরা মুরগির কারবারে অন্যতম অভিযুক্ত কৌসর আলি ঢালি। তার বাড়ি বাংলাদেশ সীমান্তে বসিরহাটের কোদালিয়ারা কাছে কাঁটারআঁঁটি গ্রামে। ইছামতী নদী টপকালেই বাংলাদেশ। জানা গেছে, ইদানিং সীমান্ত এলাকায় কওসর যোগাযোগ বাড়িয়েছিল। চোরাপথে যারা যাতায়াত করে তাদের মাধ্যমে মাংসের প্যাকেট পাঠাতো বাংলাদেশে।

এই চক্রে কারা কারা জড়িত পুলিস তদন্ত করে দেখছে। ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক সীমান্তে কড়া নজরদারি শুরু হয়েছে। সতর্ক করা হয়েছে সীমান্ত জেলার থানাগুলিকে।

জানা গেছে, কলকাতা ও আশপাশের ভাগাড়, খামার থেকে মরা গরু, মুরগি সংগ্রহ করে কেটে ছোট ছোট প্যাকেট করা হতো। তারপর তা হিমায়িত করে রাসায়নিক লাগিয়ে সংরক্ষণযোগ্য করে পাঠিয়ে দেওয়া হত। বসিরহাটসহ বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়। তারপর সুযোগ বুঝে চালান করা হতো বাংলাদেশে। মাঝেমধ্যে সীমান্তের একদিক থেকে আরেক দিকে ছুঁড়ে দেওয়া হতো মাংসের প্যাকেট।

মরা পশুর মাংস মজুত রাখার জন্য কলকাতার উপকণ্ঠে রাজারহাটে বড় বড় ফ্রিজারও ছিল। সেখানেই মজুত ছিল কয়েক টন মাংস। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, বজবজ ছাড়াও কলকাতার আশপাশের ৭টি ভাগাড় থেকে মাংস সরবরাহ হত। তদন্তে কল্যাণী, কাঁকিনাড়া, জগদ্দল, টিটাগড়, শিবপুর, সোনারপুর, টালিগঞ্জ রেল ব্রিজ ভাগাড়ের নাম উঠে এসেছে। এই চক্রের মূল পান্ডা সারাফত হোসেন। তদন্তে ভাগাড়ের মাংস বিক্রি চক্রের ব্যাপার জানাজানি হতেই কওসর, সারাফত দুজনেই পলাতক।

জানা গেছে, চক্রটি বেশ বড়। ভাগাড়ের গরুর মাংস ১০০ টাকা কেজিতে কেনা হত। তারপর প্রক্রিয়াকরণের পর বাংলাদেশে পাচারের জন্য পাঠানো হতো। লাভের অঙ্ক মোটা। তাই ভাগাড়ের মরা গরু জোগাড় করতে ওই জায়গায় আলাদা লিঙ্কম্যান নিয়োগ হয়েছিল। আর মোটা লাভের অঙ্কে ২ বছরে কোটিপতি হয়েছে কওসররা। হয়েছে গাড়ি, বাড়িও। লিঙ্কম্যানরাও কামিয়েছে মোটা টাকা।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০২১ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন