ডিজিটাল কমার্স নীতিমালার সংশোধন চায় প্রযুক্তি সংগঠনগুলো
২৬ আগষ্ট, ২০১৮ ইং
ডিজিটাল কমার্স নীতিমালার সংশোধন চায় প্রযুক্তি সংগঠনগুলো

 

সম্প্রতি মন্ত্রীসভার এক বৈঠকে কতিপয় সংশোধনীর প্রস্তাব করে ‘জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮’ এর খসড়া অনুমোদিত হয়। সংশোধনীর পূর্বে ৬১টি কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব যৌথভাবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উপর ন্যস্ত ছিল। বর্তমানে প্রাথমিক বাস্তবায়নকারী কতৃপক্ষ হিসেবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের স্থলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাব করা হয়েছে। এই খসড়া নীতিমালাকে স্বাগত জানিয়ে নীতিমালার কয়েকটি সংশোধিত পরিবর্তন প্রস্তাব স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবসার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি(বিসিএস) এর সভাপতি ইঞ্জি. সুব্রত সরকার। গত শনিবার সন্ধ্যায় বিসিএস ইনোভেশন সেন্টারে ‘জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮’ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বিসিএস, বেসিস, ই-ক্যাব, বাক্য, সিটিও ফোরামসহ অন্যান্য তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং স্টেকহোল্ডাররা উপস্থিত ছিলেন। সভায় বক্তারা ‘জাতীয় ডিজিটাল কমার্স নীতিমালা ২০১৮’ এর যে নীতিগুলো স্থানীয় ব্যবসাকে ক্ষতির সম্মুখীন করতে পারে এমন নীতিগুলোর পরিবর্তনের ব্যাপারকে গুরুত্ব দেন। বিসিএস সভাপতি ইঞ্জি. সুব্রত সরকার বলেন,‘ডিজিটাল নীতিমালার ৩.৬.৭ অনুচ্ছেদ এবং নীতিমালার প্রণিত ৭ নং কর্ম পরিকল্পনা অনুযায়ী এককভাবে বিদেশি প্রতিষ্ঠান কতৃক ব্যবসা পরিচালনার সুযোগ রহিত করা ছিল এবং দেশি ও বিদেশি কোম্পানির ইকুইটির হার ৫১:৪৯ ছিল। উপযুক্ত শর্তে মন্ত্রিপরিষদ কতৃক নীতিমালা অনুমোদিত হয়। ১ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ থেকে প্রেরিত একটি পত্রে বিদেশি বিনিয়োগকারীগণকে ১০০% ইকুইটির সুযোগ প্রদানের লক্ষ্যে ৭ নং কর্ম পরিকল্পনা এবং ৩.৬.৭ নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের জন্য বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ করা হয়েছে। যদি বিদেশি বিনিয়োগকারীকে শতভাগ ইকুইটি প্রদান করা হয়, তাহলে ‘মেক ইন বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন কঠিন হবে।’  অনুষ্ঠানে

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।   

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৬ আগষ্ট, ২০২১ ইং
ফজর৪:২০
যোহর১২:০১
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:২৬
এশা৭:৪১
সূর্যোদয় - ৫:৩৮সূর্যাস্ত - ০৬:২১
পড়ুন