রিকশাওয়ালা
জাজাফী২১ অক্টোবর, ২০১৬ ইং
রিকশাওয়ালা
কনস্টেবলের চাকরি নেওয়ার পর ভালো কিছু চোখেই পড়ে না। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মাটিতে পা ঠুকে স্যালুট করে জুতার তলা ক্ষয় হয়ে যায়। সব থেকে ছোট পদের চাকরিতে এই এক সমস্যা, যেই আসুক সে অবধারিতভাবেই সিনিয়র পোস্টেরই হবেন এবং তাকে স্যালুট দিতেই হবে। স্যালুট দিতে কোনো অসুবিধা নেই। ওটাই যেহেতু দায়িত্ব তবে নিষ্ঠার সঙ্গে তা কর্তব্য কাজ বলেই পালন করে আসছি। থানা হাজতে হলে কিছুটা আরামে ঘুমিয়ে কাটানোর সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা থাকত। কিন্তু ওই যে ভাগ্যে ফেরে পোস্টিং হয়েছে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে। তাই আরাম, ঘুম, বসা তো দূরের কথা মাটিতে পা ঠোকার ও অবসর মেলে না। তার ওপর যে পারে সেই কথা শোনায়। নিম্ন পদে চাকরি করব কথা শোনা ছাড়া উপায় কী। কিন্তু সেই কথা সহ্য করার ক্ষমতা সবার থাকে না। তিন বছরে তাই আঠারো বার বদলি হতে হয় তবারকের। তবারক ক’দিন হলো বদলি হয়ে রংপুর চলে গেছে। সেও অবশ্য আমার মতোই কনস্টেবলই ছিল। কথা তার মোটেই সহ্য হতো না, ফলে ক’দিন যেতে না যেতেই ওপর মহল তাকে বদলি করে দিত। আমার সব গা সওয়া হয়ে গেছে। সব থেকে ভয় পাই যখন পুলিশ সুপার স্যার বদলি হন। বার বার মনে হয় যিনি ছিলেন তার সাথে কোনো না কোনোভাবে মানিয়ে নিয়েছি, কিন্তু যিনি আসবেন তার সাথে কি মানিয়ে নিতে পারব?

আজ নতুন পুলিশ সুপার স্যারের আসার কথা। মনে মনে সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। আমার স্ত্রী নিজহাতে জুতা পরিষ্কার করে দিয়েছে। বাইরে থেকে জুতা কালি করার মতো বিলাসিতা করার সাহস আমার বা আমার স্ত্রীর হয়নি কখনো। সংসার টিকে আছে স্ত্রীর গুণে। মাসশেষে যে বেতন পাই তা স্ত্রীর হাতে তুলে দিয়ে চিন্তামুক্ত হই। খেয়ে না খেয়ে হলেও সে কীভাবে যেন মাসটা পার করে দেয়। নতুন পুলিশ সুপার স্যার আসবেন শুনলেই সে কিছু না কিছু রেঁধে জোর করে দিয়ে দেয়। কিন্তু সাহসের অভাবে তা নতুন পুলিশ সুপার স্যার পর্যন্ত পৌঁছানো হয় না। কিংবা সত্যি বলতে তার পর্যন্ত পৌঁছানোর আগেই অন্যরা তা চেটেপুটে শেষ করে। যুক্তির অভাব নেই তাদের। তারা মনে করে পুলিশ সুপার চাইলেই এর থেকে ভালো খাবার খেতে পারবেন, কিন্তু তারা চাইলেও খেতে পারবে না। বিগত তিন বছর তিন জন পুলিশ সুপারের অধীনে চাকরি করেছি। আজ আবার যখন নতুন পুলিশ সুপার আসবেন বলে শুনেছে তখন আমার স্ত্রী ঠিকই নিয়ম করে খাবার তৈরি করে দিয়েছিল। কিন্তু সে যেমন নিয়ম ভাঙেনি তেমনি নিয়ম ভাঙেনি অফিসের অন্যরাও। সকালে অফিসে আসার পরই সব খাবার শেষ করেছে। তৃপ্তির ঢেকুর তুলে বলেছে, ভাবীর রান্নার হাত অসাধারণ! শুধু ভাগ্যই খারাপ এমন অসাধারণ যার রান্নার হাত সে কেন পুলিশ কনস্টেবলের ঘরে থাকবে। তার তো থাকার কথা রাজপরিবারের রাঁধুনি হিসেবে। আমি মনে মনে বলি, উপমার কী ঢং! রাজপরিবারের রাঁধুনি! কেন! রাজকন্যা বা রাজরানি ভাবা যেত না? আজকাল মানুষ মানুষকে ছোটলোক ভাবতেই বেশি পছন্দ করে। সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে কখন যে নয়টা বেজে গেছে টেরই পাইনি। স্যারের এতক্ষণে চলে আসার কথা কিন্তু স্যার আসছেন না কেন বুঝে উঠতে পারছি না। স্যারের গাড়ির হর্ন শুনব বলে দুই কান খাড়া করে রেখেছি। সময় চলে যাচ্ছে কিন্তু স্যারের গাড়ি আসছে না। স্যারকে অভ্যর্থনা জানানোর জন্য এএসপি মহিবুল স্যার আগেই চলে এসেছেন। তিনি বার কয় এসে উঁকি মেরে গেছেন। সাতপাঁচ ভাবছি এমন সময় অফিসের সামনে টুংটাং শব্দ করতে করতে একটা রিকশা এসে থামল। বয়স্ক এক রিকশাওয়ালা শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে রিকশা চালিয়ে এসেছে—এটা তার কপালে জমে থাকা ঘাম দেখেই বোঝা যায়। রিকশা থেকে যে যাত্রী নামলেন তিনি অল্প বয়সী। রিকশা থেকে নামতেই তার দিকে চোখ পড়ল। আমার পা আপনা আপনি উঠে গেল উঁচুতে আর ডান হাত উঠল কপালে। পা ঠুকে স্যালুট করতে দেরি হয়নি আমার। তার কাঁধের অ্যাপুলেটই আমাকে স্যালুট করতে বাধ্য করল। তিনিই যে আমাদের নতুন পুলিশ সুপার তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

কিন্তু বিস্মিত হয়েছি গাড়ির পরিবর্তে রিকশা করে আসতে দেখে। মনে মনে যুক্তি দাঁড় করিয়েছি যে, নিশ্চই স্যারের গাড়ি রাস্তায় নষ্ট হয়েছে তাই স্যার সময়মতো অফিসে আসার জন্যই রিকশায় উঠেছেন। রিকশা থেকে নেমে তিনি মানিব্যাগ বের করে রিকশাওয়ালার ভাড়া দিলেন। রিকশাওয়ালা টাকা গুনে দেখে বলল, স্যার, আরো পাঁচ টাকা দেন। আমার মনে হচ্ছিল গিয়ে ব্যাটাকে আচ্ছা একটা ধমক দেই। পুলিশ সুপারের কাছে ভাড়া নিয়ে কথা বলছে। কিন্তু স্যারের সাথে তো এখনো কথাই হলো না সেখানে অমন কিছু করার সুযোগ কোথায়। স্যার বললেন, এই টুকু মাত্র পথ! ত্রিশ টাকা দিলাম তার পরও পাঁচ টাকা বেশি চাচ্ছেন? রিকশাওয়ালা বললেন, কপালের ঘামের দিকে তাকিয়ে দেখুন ওটা কষ্টের টাকা, তাই ন্যায্য ভাড়াই চাইছি। পুলিশ সুপার স্যার রিকশাওয়ালাকে আরো পাঁচ টাকা ধরিয়ে দিলেন। রিকশাওয়ালার মুখটা হাসিতে ভরে উঠল। যেন তার মুখে ফুটে উঠেছে বিজয়ের হাসি।

বিনা মেঘে শুনেছি বজ পাত হয়। জীবনে সেদিনই প্রথম সেটার চাক্ষুস সাক্ষী হলাম। ভাড়া মেটানোর পর পুলিশ সুপার স্যার একটু থামলেন। রিকশাওয়ালা তখনো দাঁড়িয়ে আছে। বুঝতে পারছি না ব্যাটার মতলবটা কী? ভাড়া পেয়েছে এবার মানে মানে কেটে পড়ো, কিন্তু সে দাঁড়িয়েই আছে। পুলিশ সুপার স্যার হাতের ঘড়ি দেখলেন। তারপর রিকশাওয়ালার দিকে এগিয়ে গেলেন। মনে মনে ভাবলাম, বেশি ভাড়া দাবি করার কারণে এবার দু-একটা চড়-থাপ্পড় নিশ্চই দিবেন। কিন্তু আমার মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ল যখন দেখলাম পুলিশ সুপার স্যার নিজের পকেটে রাখা রুমালটা বের করে বৃদ্ধ রিকশাওয়ালার কপালে জমে থাকা বিন্দু বিন্দু ঘাম মুছে দিলেন। শরীরে চিমটি কেটে দেখলাম আমি স্বপ্ন দেখছিনা তো! নাহ সেটা স্বপ্ন ছিল না। রিকশাওয়ালার ঘামে ভেজা রুমালটা পরম মমতায় পকেটে ভরে পুলিশ সুপার স্যার নিচু হলেন। আমার স্বল্প বুদ্ধির মাথাটা পুরোপুরি এলোমেলো করে দিয়ে সেই মাথার ওপর আকাশ-পাতাল সব ভেঙে দিয়ে পুলিশ সুপার স্যারের দুই হাত চলে গেল তাকে বয়ে নিয়ে আসা বৃদ্ধ রিকশাওয়ালার পায়ে। কয়েকবার পা ছুঁয়ে সালাম করার পর বৃদ্ধ রিকশাওয়ালা স্যারকে ওঠালেন। স্যারের কপালে একটা চুমু দিয়ে রিকশা নিয়ে ফিরে গেলেন। যতক্ষণ সে চোখের আড়ালে মিলিয়ে না গেল ততক্ষণ স্যার ঠায় দাঁড়িয়ে থাকলেন। তারপর তাকিয়ে দেখি একসময় স্যারও সেখানে নেই। যেন ভোজবাজির মতো মিলিয়ে গেছেন। মনে হলো যা দেখেছি সব স্বপ্ন ছিল। ক্লান্তি আর একঘেয়েমি দিবালোকেও চোখে অলীক স্বপ্ন নিয়ে এসেছে। পরক্ষণেই সজোরে স্যালুটের শব্দ ভেসে আসলো। গেট ছেড়ে ক্ষণিকের জন্য ভিতরে উঁকি দিয়ে দেখলাম নাহ! সত্যি সত্যিই স্যার ভিতরে আছেন।

অভাবনীয় দৃশ্য দেখে আমি এতটাই স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিলাম যে, স্যার কখন ভিতরে প্রবেশ করেছিলেন তা টেরই পাইনি। এটা বড় ধরনের অন্যায় হয়েছে। কিন্তু শাস্তি পাওয়ার কোনো ভয় মনে কাজ করছে না। যে স্যার রিকশাওয়ালার কপালের ঘাম নিজ রুমাল দিয়ে মুছে দিতে পারেন তিনি আর যা-ই হোক নিশ্চই শাস্তি দিবেন বলে মনে হয় না। রিকশাওয়ালার ঘটনাটা আমি ছাড়া আর কারো চোখে পড়েনি। আমার স্ত্রী যে খাবার পাঠিয়েছিল সেটার জন্য আফসোস হলো। এর আগে যখন খাবারগুলো অন্যরা ভাগ করে খেয়েছে তখন আফসোস হয়নি, কিন্তু আজ আফসোস হলো। এমন একজন মানুষকে খাওয়াতে না পারার দুঃখ সত্যিই ভুলবার নয়। সেদিন স্যার সবাইকে ডেকে নিয়ে পরিচিত হলেন। আমার দিকে বেশ কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলেন। সেই তাকানোর মধ্যে মমতা ছিল নাকি ক্ষোভ তা জানি না।

রাতে খেতে বসে স্ত্রীকে ঘটনাটা বললাম। আমার বলা শেষ হওয়ার আগেই সে উঠে চলে গেল। এখানে রাগ করার কী আছে বুঝিনি। আমি যে স্যারকে তার রান্না করা খাবার দেইনি সেটাও তো বলিনি। শেষে একা একা বসেই খাবার শেষ করে রুমে গিয়ে দেখি তারানা কাঁদছে। আমার স্ত্রীর নাম তারানা। আমি তার পাশে বসে তাকে সান্ত্বনার সুরে বললাম, আমি কী এমন বলেছি যে তাতে কাঁদতে হবে? তারানা চোখ মুছতে মুছতে বলল, অমন একটা ভালো মানুষের ওরকম ভালোমানুষি ঘটনা শুনে যারা কাঁদে না তারা পাষাণ! বুঝলাম আবেগেই কেঁদে ফেলেছে আমার স্ত্রী। তার ভাষায় আমিও পাষাণ। খাবার যে দেওয়া হয়নি এটা বলার সাহস হলো না আমার। তার কান্না হয়তো থামবেই না। কী জানি হয়েছিল আমার। স্ত্রীকে বললাম, নতুন স্যারের জন্য তোমার জীবনের সেরা রান্নাটা কি করবে কালকে? তারানা যেন সেই রাতেই রান্নার সব কিছু রেডি করে রাখল। একটি বারও প্রশ্ন করল না একই স্যারকে দু’বার কেন রান্না করে খাওয়াতে হবে।

পরদিন ভোরে স্ত্রীর রান্না করা পায়েস নিয়ে গেলাম স্যারের জন্য। আজ আর কোনোভাবেই সেটা কারো নজরে পড়তে দেইনি। অপেক্ষায় আছি স্যারকে বয়ে নিয়ে আসা রিকশার টুংটাং শব্দের, কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে স্যার এলেন তার জন্য বরাদ্দ অফিসের গাড়িতে। সোজা চলে গেলেন নিজের রুমে। মনটা খারাপ হয়ে গেল। ভেবেছিলাম স্যার হয়তো রিকশাতেই আসবেন। আমার যেমন গাড়ি নেই স্যারও তেমন রিকশায় চড়েন। তার মানে সমানে সমান। কিন্তু সব মিথ্যে করে দিয়ে স্যার গাড়িতেই আসলেন। ভাবলাম থাক পায়েসটুকু স্যারকে দিয়ে আর লাভ কী! তার চেয়ে নিজে খেয়ে নিলেই ভালো। দুপুরে সত্যি সত্যিই পায়েসটুকু নিজে খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুললাম। মনে মনে তারানার প্রশংসা করলাম যে, আমার মতো পুলিশ কনস্টেবলের ঘরে তাকে মানায় না। তার রাজরানি হওয়া উচিত ছিল। আবার ভাবলাম যাহ্ রাজরানিরা কি কখনো রান্না করে নাকি? তখন মনে হলো অফিসের অন্যদের উপমাটাই ঠিক ছিল। রাজপ্রাসাদের রাঁধুনি হওয়াই উচিত ছিল তার। যে মানুষ প্রথম দিন রিকশায় অফিসে এসে নিজের রুমাল দিয়ে রিকশাওয়ালার ঘাম মুছে দিয়ে আমার মন জয় করে নিয়েছিল সেই তিনিই রাতের ব্যাবধানে আমার মন থেকে উধাও হয়ে গেলেন। ব্যবধান কি তবে ওই রিকশা আর অফিসের গাড়িই ছিল কিনা, জানি না। দুপুরের পর স্যারের রুমে আমার ডাক পড়ল। মনে মনে প্রস্তুতি নিলাম গতদিন স্যারকে সময়মতো সম্মান দেখাতে পারিনি, নিশ্চই আজ তার শাস্তি পাব।

অনুমতি নিয়ে স্যারের রুমে ঢুকলাম। পিছনে ফিরে ছিলেন বলে তিনি কী করছেন তা দেখতে পাইনি। পরে দেখলাম একটা বাঁধাই করা ছবি কাপড় দিয়ে মুছে টেবিলের একপাশে রাখলেন। সেদিকে আমার চোখটা আটকে গেল। সেই রিকশাওয়ালার ছবি! সম্ভবত গতদিন আমার মাথায় শুধু একটা আসমান ভেঙে পড়েছিল আর আজ ভেঙে পড়েছে বাকি ছয়টা আসমান। কোনোদিন ভাবিনি আমারও চক্ষু ছানাবড়া হবে। আমার চোখে কি জিজ্ঞাসু দৃষ্টি ছিল? স্যার মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আমার বাবার ছবি! জন্মের পর থেকে বাবাকে রিকশা চালাতে দেখেছি। রিকশা চালিয়ে আজ আমাকে পুলিশ সুপার বানিয়েছেন। আমি পুলিশে চাকরি পাওয়ার পর বাবা রিকশা চালান না। শুধু নতুন কোনো অফিসে জয়েন করতে গেলে বাবা নিজে ছেলেকে রিকশা চালিয়ে নিয়ে আসেন। দামাদামি করে ভাড়া নেন। স্কুল-কলেজেও বাবার রিকশাতেই যেতাম আমি। বাবা নিজের রিকশাটা এখনো যত্ন করে রেখে দিয়েছেন। তার ইচ্ছা নাতি-নাতনিদেরও তিনি নিজের রিকশায় চড়াবেন।

স্যারের কথা শুনে আমার চোখ ভিজে উঠল। ওখানে দাঁড়িয়ে থাকা সম্ভব নয়। অনুমতি নিয়ে বেরিয়ে এলাম। তারানা থাকলে বুক ফুলিয়ে বলতে পারতাম, দেখ আমি পাষাণ নই। মনে মনে নিজেকে ধিক্কার দিলাম। যত্ন করে রান্না করা পায়েসটুকু কেন এই মানুষটিকে না খাইয়ে নিজে খেয়েছি। আমি যে আহাম্মক তা এখন ভালোই বুঝেছি। সেদিনও রাতে খেতে বসে আমার স্ত্রী নতুন স্যারের প্রসঙ্গ তুলে জানতে চাইল, স্যারকে আজ কেমন দেখলে? আমি কোনো উত্তর দেইনি। উত্তর দেয়ার মতো ভাষা আমার জানা নেই। শুধু বলেছি, তারানা কালকে আর একবার প্লিজ স্যারের জন্য বিশেষ কিছু রান্না করবে? তারানা আমার মুখের দিকে তাকিয়ে আছে। যেমনটা আমি তাকিয়ে ছিলাম পুলিশ সুপারের টেবিলের কোনায় রাখা ছবিটার দিকে। ছবিটা ছিল একজন রিকশাওয়ালার।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২১ অক্টোবর, ২০২০ ইং
ফজর৪:৪৩
যোহর১১:৪৪
আসর৩:৫০
মাগরিব৫:৩১
এশা৬:৪৩
সূর্যোদয় - ৫:৫৮সূর্যাস্ত - ০৫:২৬
পড়ুন