রাজশাহী কারাগারে বিকাশ বাণিজ্যের অভিযোগ
রাজশাহী অফিস৩০ এপ্রিল, ২০১৫ ইং
রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তির সময় আসামির স্বজনদের কাছ থেকে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। রাজনৈতিক মামলায় বন্দী হাজতিদের কারাগার থেকে মুক্তির সময় জিম্মি করে স্বজনদের কাছ থেকে অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

অভিযোগে জানা যায়, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা এবং বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত কারাগার থেকে গড়ে অর্ধশত হাজতি জামিনে মুক্ত হন। এ সময় অসাধু ডেপুটি জেলাররা মুক্তির অপেক্ষায় থাকা হাজতির কাছ থেকে নম্বর নিয়ে তার স্বজনদের মোবাইলে যোগাযোগ করে বিকাশে টাকা দাবি করেন। অন্যথায় জেলগেট থেকে আবারো গ্রেফতার করানোর হুমকি দেন। ফলে বাধ্য হয়ে স্বজনরা বিকাশে টাকা দিচ্ছেন।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক এক হাজতি জানান, তিনি গত শুক্রবার পুলিশের দায়েরকৃত একটি নাশকতার মামলায় জামিনে মুক্তি পান। এর আগে একজন ডেপুটি জেলার তাকে নিজ কক্ষে নিয়ে গিয়ে তার স্বজনদের মোবাইল নম্বর চান। এসময় তিনি নিজেই ফোন করে বিকাশের মাধ্যমে স্বজনদের কাছে ৫ হাজার টাকা দাবি করেন। টাকা না দিলে তাকে অন্য মামলায় গ্রেফতারের হুমকি দেন। এসময় বাধ্য হয়ে স্বজনরা নির্ধারিত বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠান। তখন আরও কয়েক হাজতির স্বজনদের কাছ থেকে একই কায়দায় টাকা আদায়ের কথা জানান তিনি।

ভুক্তভোগীরা জানান, কারাগার ও মহানগর পুলিশের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা এই বিকাশ বাণিজ্যে জড়িত। কারাগারের জেলার শাহাদাত হোসেন উত্থাপিত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন। এদিকে অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়ে ডিআইজি (প্রিজন্স) বজলুর রশীদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযোগের সত্যতা পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন