চট্টগ্রাম ড্রাইডকে প্রথম জাহাজ নির্মাণ শুরু
চট্টগ্রাম ড্রাইডক সরকারি এবং নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ ছাড়াও বেসরকারি পর্যায়ের জাহাজ ট্রলার, ভেসেলসহ সকল ধরনের জলযান মেরামত করে
চট্টগ্রাম ড্রাইডকে সমুদ্রগামী জাহাজ মেরামতের সাথে সাথে জাহাজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়াধীন বিআইডব্লিউটিসি প্রায় ৭৬ কোটি টাকা ব্যয়ে দু’টি মাল্টিপারপাস কন্টেইনার জাহাজ নির্মাণের কার্যাদেশ প্রদান করেছে। প্রথমবারের মতো দু’টি কন্টেইনার জাহাজের কাজ সম্পন্ন হবে বলে জানা যায়।

একইসাথে চট্টগ্রাম ড্রাইডকের জন্য ৪৭৬ কোটি টাকার উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। উক্ত পরিকল্পনার আওতায় ২০০ মিটার দৈর্ঘ্য, ৪০ মিটার প্রস্থ ও ১৫ মিটার গভীরতাবিশিষ্ট একটি নতুন ডক নির্মিত হবে। বর্তমানে ১৮২ দশমিক ৯ মিটার দৈর্ঘ্য, ২৭ দশমিক ৪৩ মিটার প্রস্থ এবং ১৩ দশমিক ১ মিটার গভীরতার ডক রয়েছে।

১৯৬৩ সালে পরিকল্পনা নিয়ে ১৯৬৬ সালে যুগোস্লাভ সরকারের কারিগরি সহায়তায় নির্মিত চট্টগ্রাম ড্রাইডক ১৯৮৫ সালে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করে। মূল পরিকল্পনায় জাহাজ মেরামতের পাশাপাশি নতুন জাহাজ নির্মাণের লক্ষ্যে ড্রাইডক প্রকল্পে দু’টি ডক নির্মাণ করার কথা থাকলেও সে সময় শুধু জাহাজ মেরামতের অংশটুকু বাস্তবায়ন করা হয়েছে। চট্টগ্রাম ড্রাইডক ২০ হাজার টন ক্ষমতাসম্পন্ন সমুদ্রগামী জাহাজ, ট্রলার, কোস্টাল ভেসেল মেরামতসহ ভাসমান জাহাজ মেরামত বিভিন্ন ধরনের ভারী স্টীল স্ট্রাকচার, কারখানার যন্ত্রাংশ তৈরি ও মেরামত, সড়ক ব্যবস্থার উন্নয়নের জন্য পোর্টেবল স্টিল ব্রিজ, ফুটওভার স্টিল ব্রিজ এবং বিদ্যুত্ টাওয়ারসহ অন্যান্য সামগ্রী তৈরি, মেরামত ও সরবরাহ করে আসছে। চট্টগ্রাম ড্রাইডক সরকারি এবং নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ ছাড়াও বেসরকারি পর্যায়ের শত শত জাহাজ ট্রলার, ভেসেলসহ সকল ধরনের জলযান মেরামত করে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৫ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন