উপজেলা পরিষদে নারী সদস্য পদে নির্বাচন আজ
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৩০১
ইত্তেফাক রিপোর্ট১৫ জুন, ২০১৫ ইং
উপজেলা পরিষদে নারী সদস্য পদে নির্বাচন আজ
উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত নারী সদস্যপদে আজ নির্বাচন। দেশের ৩৭৭টি উপজেলা পরিষদের ১২৪৫টি পদে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনের জন্য প্রতি উপজেলায় একটি করে ভোটকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২ হাজার ৫৩৬ জন। মোট ভোটার ১১ হাজার ১৬৮ জন। ইতিমধ্যে ১৫৬১টি আসনের মধ্যে এই নির্বাচনে ৯৩ উপজেলার ৩০১ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। তবে ১৬টি আসনে কোন প্রার্থীই মনোনয়নপত্র জমা দেননি। গত ১৩ মে ৪৭৮ উপজেলায় সংরক্ষিত নারী সদস্যপদে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সীমানা ত্রুটির কারণে ৮টি উপজেলায় নির্বাচন স্থগিত হয়। এগুলো হলো:মেহেরপুর সদর, চুয়াডাংগার দামুড়হুদা, পাবনার ভাঙ্গুড়া, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, পটুয়াখালীর কলাপাড়া, ফরিদপুরের চরভদ্রাসন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর ও সাতক্ষীরার শ্যামনগর। অবশিষ্ট ৪৭০ উপজেলার মধ্যে ৯৩ উপজেলায় সংরক্ষিত নারী পদে সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে বাকি ৩৭৭ উপজেলায় ভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তফসিল অনুযায়ী প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষ দিন ছিল ২১ মে, মনোনয়নপত্র বাছাই ২৩ মে এবং প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষদিন ছিল গত ৩০ মে।

এ নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো নারী সদস্যরা উপজেলা পরিষদে যোগ দেবেন এবং উপজেলা পরিষদ পূর্ণাঙ্গ রূপ পাবে। এর আগে সাবেক ড. শামসুল হুদা কমিশনের অধীনেই অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। কিন্তু ওই কমিশন আইনী বাধ্যবাধকতা থাকার পরও উপজেলায় সংরক্ষিত নারী আসন পূরণে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।   ফলে উপজেলা পরিষদে নারী সদস্যপদে নির্বাচন না হওয়ায় পূর্ণাঙ্গ পরিষদ গঠন করা সম্ভব হয়নি।

সর্বশেষ ২০১২ সালের ফেব্রুয়ারিতে কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন কমিশন গঠিত হয়। এ কমিশনের অধীনে গতবছর চতুর্থ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর উপজেলা পরিষদে সংরক্ষিত নারী আসন পূরণে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে প্রস্তাব দেন সিনিয়র নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মোবারক। প্রায় দেড়বছর পর এ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। উপজেলা পরিষদে নারী সদস্যপদের নির্বাচনে ভোটার হবেন সংশ্লিষ্ট উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার সংরক্ষিত নারী সদস্যরা। সদস্যপদে প্রার্থীও হবেন ইউনিয়ন ও পৌরসভার সংরক্ষিত নারী সদস্যরা।

আইন অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদ এবং পৌরসভার মোট সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশের সমান সংখ্যক পদ নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। কোনো উপজেলায় ১৫টি ইউনিয়ন থাকলে পরিষদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত পদের সংখ্যা হবে পাঁচটি।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৫ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন