জয়পুরহাটে আটক দু’জনের স্বীকারোক্তি
ইউপি চেয়ারম্যান আজাদ নিহত
জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভাদশা ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান একে আজাদ হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত দুইজন হত্যাকাণ্ডে নিজেদের জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে রবিবার বিকালে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন। ঢাকার পপুলার হাসপাতালে সাতদিন চিকিত্সাধীন থাকার পর গতকাল ভোরে সেখানে মারা যান আজাদ। গত পাঁচ জুন রাতে  আজাদসহ দুইজনকে কুপিয়ে ও গুলিতে আহত করে একদল মুখোসধারী দুর্বৃত্ত। এ ঘটনায় একে আজাদ চৌধুরীর ছোট ভাই এনামুল হক বাদী হয়ে সেদিনই জয়পুরহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় ছয় জনের নাম উল্লেখসহ ৭/৮ জনকে অজ্ঞাত   আসামি করা হয়।    জয়পুরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রুহুল আমীন ইত্তেফাক’কে জানান, আজাদ চেয়ারম্যানের হত্যা মামলায় পুলিশ শনিবার রাতে দুইজনকে গ্রেফতার করে। এরা হচ্ছেন ভাদশা ইউনিয়নের ভগবানপুর গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে সৈকত (২২) ও উত্তর কান্দি গ্রামের আব্দুস সালামের ছেলে আব্দুল হাকিম (২৮)। রবিবার বিকালে তাদের আদালতে হাজির করা হলে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন। জয়পুরহাটের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল বাহার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। তবে কি কারণে আজাদ চেয়ারম্যানকে হত্যা করা হয়েছিল তা তদন্তের স্বার্থে পুলিশ এখনই জানাতে অপারগতা প্রকাশ করেছে। গ্রেফতারকৃত দুইজনই এজাহার নামীয় আসামি বলে জানায় পুলিশ।

একে আজাদ দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে অংশ নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে ভাদশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।   —এপি

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন