থাইল্যান্ডে গণভোটে সেনা সংবিধান অনুমোদন
ইত্তেফাক ডেস্ক০৮ আগষ্ট, ২০১৬ ইং
থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত গণভোটে সেনাবাহিনী প্রণীত সংবিধান অনুমোদন পেয়েছে। গতকাল রবিবার গণভোটের ফল ঘোষণায় দেখা গেছে, ৬১ শতাংশের বেশি ভোটার সংবিধানকে সমর্থন করেছেন। পুরো ফল পেতে বুধবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। খবর বিবিসি ও রয়টার্সের।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোটের ৯৪ শতাংশ গণনা করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ দশমিক ৪ শতাংশ সংবিধানের পক্ষে এবং ৩৭ দশমিক ৯ শতাংশ প্রত্যাখান করেছে। গণভোটের ব্যালটে প্রশ্ন ছিল আপনি কি সংবিধান সমর্থন করছেন? সমর্থন করলে হ্যাঁ এবং না করলে ‘না’। ২০১৪ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। এরপর এই প্রথম প্রেসিডেন্ট প্রায়ূথ চান ওচা জনপ্রিয়তার এই পরীক্ষা চালিয়ে পাস করলেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নির্বাচন কমিশনের প্রধান সোমচাই শ্রিসুত্তিইয়াকর্ণ জানান, এই ফলাফল পরিবর্তন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। কারণ ৯০ শতাংশের বেশি ভোট গণনা হয়ে গেছে। ন্যাশনাল কাউন্সিল ফর পিস অ্যান্ড অর্ডার (এনসিপিও) নামে পরিচিত জান্তা সরকার ভোটের আগে খসড়া সংবিধান নিয়ে বিতর্ক এবং যে কোন প্রচার-প্রচারণা নিষিদ্ধ করে। এর বিরুদ্ধে প্রচার করার অভিযোগে বিরোধী রাজনীতিক এবং কিছু ছাত্র নেতাকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে।

সেনাবাহিনীর দাবি, নতুন সংবিধানটি দুর্নীতি নির্মূলের মধ্য দিয়ে রাজনীতিবিদদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করবে। তবে সমালোচকদের দাবি, এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীর কর্তৃত্ব আরো বাড়বে। সংবিধানবিরোধীর ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রেখে নতুন আইন প্রণয়ন করায় নতুন সংবিধান প্রশ্নে অনুষ্ঠিত গণভোট জনবিচ্ছিন্ন ছিল বলে মনে করছেন মানবাধিকারকর্মীরা।

নতুন সংবিধানে সেনা সদস্যদের জন্য আসন সংরক্ষিত রেখে পরিপূর্ণভাবে-নিয়োগকৃত একটি সিনেটের কথাও বলা হয়েছে। নির্বাচিত আইন প্রণেতাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা পাবেন সিনেট সদস্যরা। তাছাড়া আদালতের ক্ষমতা বাড়ানোরও সুযোগ পাবেন তারা, অথচ থাইল্যান্ডের আদালতের বিরুদ্ধে আগে থেকেই রাজনৈতিক পক্ষপাতের অভিযোগ রয়েছে। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী ইংলাক সিনাওয়াত্রাও এই গনভোটে ভোট দিয়েছেন।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন