ভূমি অধিগ্রহণ নিয়ে অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ সেতুমন্ত্রীর
কর্ণফুলী টানেল
বিশেষ প্রতিনিধি১৪ নভেম্বর, ২০১৬ ইং
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত অভিযোগসমূহ দ্রুত নিষ্পত্তি করতে জেলা প্রশাসন ও প্রকল্প কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল রবিবার সকালে পতেঙ্গার ওয়েস্ট পয়েন্টে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ সাইট পরিদর্শনকালে তিনি এ নির্দেশ দেন। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এ সময় কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ প্রকল্পের পরিচালক প্রকৌশলী ইফতেকার কবির উপস্থিত ছিলেন। পরিদর্শনকালে মন্ত্রী সমবেত জনসাধারণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও চীনের রাষ্ট্রপতির যৌথভাবে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের মধ্য দিয়ে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণকাজের সূচনা হয়েছে। তিনি বলেন, জি-টু-জি ভিত্তিতে চীন সরকারের অর্থায়নে কর্ণফুলী টানেলের নির্মাণকাজ যথাসময়ে শেষ করার লক্ষ্যে কাজ করছে সেতু বিভাগ। ইতোমধ্যে কর্ণফুলী টানেল নির্মাণের লক্ষ্যে পরামর্শক নিয়োগের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

প্রায় সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে চারলেন বিশিষ্ট কর্ণফুলী টানেল হবে প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ। দুপ্রান্তের সংযোগ সড়ক এবং একটি এক কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্লাইওভারসহ প্রকল্পের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় নয় কিলোমিটার। শিল্ড ড্রাইভেন মেথডে নির্মিতব্য টানেলটি হবে দুটি টিউবে দুই লেন করে চার লেনের।

টানেলটি নির্মিত হলে চীনের সাংহাইয়ের মতো চট্টগ্রাম হবে ওয়ান সিটি টু টাউন। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের গতিশীলতা বাড়বে। নদীর ওপারে ইপিজেড স্থাপনের ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি নগরায়ণের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এশিয়ান হাইওয়ের সাথে সংযোগসহ টানেলটি প্রস্তাবিত মিরসরাই-কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ, প্রস্তাবিত ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে এবং প্রস্তাবিত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্পকে যুক্ত করবে ।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৪ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পড়ুন