ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৯৭ জনের মৃত্যু
উদ্ধার অভিযানের সঙ্গে চলছে ত্রাণ সহায়তা
ইত্তেফাক ডেস্ক০৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ ইং
ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ৯৭ জনের মৃত্যু
 

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পে অন্তত ৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে অনেক শিশু রয়েছে। অনেকেই ভেঙে পড়া ভবনের ধ্বংসস্তুপের নিচে আটকা পড়ে আছে বলে আশংকা করা হচ্ছে। এর ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করছে কর্তৃপক্ষ। গতকাল স্থানীয় সময় বুধবার সকালে দেশটিতে ভূমিকম্প আঘাত হানে।

বিবিসি জানায়, আচেহ প্রদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল তাতাং সুলায়মান বলেন, রিখটার স্কেলে ৬.৫ মাত্রার এই ভূমিকম্পটি সুমাত্রা দ্বীপের উত্তর-পূর্ব উপকূলে সমুদ্রের তলদেশে                 আঘাত হানে। তিনি জানান, দ্বীপের সিগলি শহরের বহু ভবন, মসিজদ ও অন্যান্য স্থাপনা ভেঙ্গে পড়েছে। তবে সুনামির কোনও আশংকা নেই বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া বিভাগ। ইউএস জিওলিজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় সকাল ৫ টা ৩ মিনিটে আট কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের মুখপাত্র সুতোপো নুগোরো জানিয়েছেন, ২ শতাধিক দোকান এবং বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। ১৪টি মসজিদ ছাড়াও হাসপাতাল এবং স্কুল বিধ্বস্ত হয়েছে। তিনি জানান, আমরা যতোই তল্লাশি চালাচ্ছি ততোই মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। এখনো অনেক বাসিন্দা ভবনের ভেতর আটকে আছেন। তিনি জানান, সেনা সদস্যসহ কয়েক হাজার উদ্ধারকর্মী উদ্ধার অভিযানে নিয়োজিত আছেন। মেজর জেনারেল তাতাং সুলায়মান বলেন, আমরা একটি ভবনের ৪ জনকে জীবিত উদ্ধার করেছি। আরো ৪-৫ জনকে উদ্ধারের চেষ্টা চালাচ্ছি। তবে তারা জীবিত না মৃত তা জানা যায়নি। আশা করি, সন্ধ্যার আগেই আমরা উদ্ধার অভিযান শেষ করবো।

ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম ডেইলি মেইল অনলাইন জানায়, ইন্দোনেশিয়ার রেড ক্রস জানিয়েছে, তারা রাজধানী জাকার্তা এবং আচেহ প্রদেশের রাজধানী বান্দা আচেহতে বিশুদ্ধ পানি পাঠিয়েছেন। একইসঙ্গে স্যানিটেশনের ব্যবস্থাও করা হচ্ছে। এছাড়া কম্বল এবং শিশুদের জামা-কাপড়ও পাঠানো হচ্ছে। আচেহ প্রদেশেই ২০০৪ সালে আগাত হেনেছিল সুনামি যার ফলে শুধু ইন্দোনেশিয়াতেই দেশটির ১ লাখ ৬০ হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছিল।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:০৭
যোহর১১:৫১
আসর৩:৩৬
মাগরিব৫:১৫
এশা৬:৩৩
সূর্যোদয় - ৬:২৭সূর্যাস্ত - ০৫:১০
পড়ুন