সাপের কামড়ে নেশা কাটানো
১০ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ইত্তেফাক ডেস্ক

সরকারি আদেশে বিহারে মদ বন্ধ হতেই মাথায় হাত পড়েছিল রানা তপেশ্বর সিংহ ওরফে লালনের। সাড়ে তিন দশকের রুটিন। প্রতিদিন এক বোতল মদ না মিললে ঘুম আসবে কী করে? প্রথমদিকে নেশার ট্যাবলেটে ‘কাজ’ চালানোর চেষ্টা করেন সমস্তীপুরের ওয়ারিসনগরের সারি গ্রামের লালন। নজর পড়ে গাঁজা, চরস, কফসিরাপেও। কিন্তু দুধের স্বাদ কি আর ঘোলে মেটে? হঠাত্ই খুঁজে পান নতুন উপায়। এক হাজার টাকা দিয়ে সাপুড়ের কাছ থেকে কেনেন তরতাজা একটা গোখরো সাপ! বাড়ির পেছনের ঝুপড়িতে প্লাস্টিকের কৌটায় ভরে রেখে দেন সেটিকে। কেউই টের পাননি।

প্রতিদিন একটা করে জ্যান্ত ব্যাঙ খেতে দিতেন পোষা গোখরোকে। ব্যাঙ না মিললে সিদ্ধ ডিম। তারপরই হাত ঢুকিয়ে দিতেন কৌটোয়। ‘আলতো’ একটা ছোবলেই যেন এক বোতল মদের নেশা। সবকিছু চলছিল ঠিকঠাক। গত রবিবার হিসেবে গরমিল বাধে। বাড়ির কাজে কয়েকদিনের জন্য বাইরে ছিলেন লালন। ফেরেন রবিবার সকালে। খাবার না পেয়ে চটে ছিল গোখরোটি। কয়েকদিনে সেটির বিষথলিও ভরে উঠেছিল। নেশার ঝোঁকে সেসব ভুলে কৌটোয় হাত ঢুকিয়ে দেন লালন। বড় ধরনের ছোবল বসায় সাপটি। মুহূর্তে মাথা টলে যায় লালনের। ভেবেছিলেন, নেশাটা হয়তো একটু বেশিই হয়ে গেছে। গলা শুকিয়ে কাঠ। পেটপুরে পানি খেয়ে গোসলে যান তিনি। গোসল থেকে বের হওয়ার পরই বাড়ির লোকেরা দেখেন লালনের মুখ থেকে গ্যাঁজলা বের হচ্ছে। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের চিকিত্সক জয়কান্ত পাসোয়ান বলেন, জীবনে এমন রোগী দেখিনি। দিনের পর দিন সাপের ছোবল খেয়ে নেশার কথা শুনে আমি তো অবাক! - আনন্দবাজার পত্রিকার।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১০ আগষ্ট, ২০২০ ইং
ফজর৪:১১
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৩৯
এশা৭:৫৭
সূর্যোদয় - ৫:৩২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৪
পড়ুন