দুই পরমাণু হামলায় বেঁচে যাওয়া নারী
১০ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
ইত্তেফাক ডেস্ক

বোমা হামলা থেকে বেঁচে যাওয়াটাই ভাগ্যের ব্যাপার। কিন্তু পরমাণু বোমা হামলা থেকে বেঁচে যাওয়াকে কী বলা যায়? আর যদি দুটি পরমাণু বোমা হামলা থেকে কেউ বেঁচে যান তাহলে সে কেমন ভাগ্যবান বা ভাগ্যবতী? ১৯৪৫ সালের ৬ ও ৯ আগস্ট। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়। দু’দিনে দু’টি পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র। জাপানের দুই শহর হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে। মারা যান দেড় লাখের বেশি মানুষ। আহত কিংবা শারীরিক প্রতিবন্ধী হয়ে যান আরো লক্ষাধিক মানুষ। জিনগত রোগে আক্রান্ত হন জাপানের অধিকাংশ নাগরিক। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বীভত্সতা ছিল এমনই। ৬ ও ৯ আগষ্ট একইসঙ্গে হিরোসিমা ও নাগাসাকিতে উপস্থিত ছিলেন সুতোমু ইমাগুচি। কিন্তু ভাগ্যের জোরে দুই পরমাণু হামলা থেকেই বেঁচে যান তিনি। ৯৩ বছরের ইমাগুচিকে পরমাণু হামলার একমাত্র জীবিত ব্যক্তি বলে ঘোষণা করেছিল জাপান সরকার। যদিও ২০১০ সালের জানুয়ারিতে নাগাসাকিতেই মারা যান সুতোমু। গতকাল ৯ আগষ্ট নাগাসাকি এবং এর আগে ৬ আগষ্ট হিরোশিমা দিবস উপলক্ষ্যে ফের তার নামই আলোচনায় আসে। ১৯৪৫ সালের ৬ আগষ্ট হিরোশিমায় ‘লিটল বয়’ নামের পরমাণু বোমা ফেলেছিল মার্কিন সেনাবাহিনী। মারা যান অন্তত ৮০ হাজার। ওই দিনই হিরোশিমা থেকে মাত্র ৩ কিলোমিটার দূরে ছিলেন ইমাগুচি। আতঙ্কে হিরোশিমা ছেড়ে নাগাসাকিতে যান তিনি। এর ৩ দিন পর নাগাসাকি শহরেও পরমাণু হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এবারো ৩ কিলোমিটার দূরে ছিলেন ইমাগুচি। আশ্চর্যজনকভাবে এবারো বেঁচে যান। - ইন্ডিয়া টাইমস

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১০ আগষ্ট, ২০২০ ইং
ফজর৪:১১
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৩৯
এশা৭:৫৭
সূর্যোদয় - ৫:৩২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৪
পড়ুন