তামাবিলে আবার আমদানি রপ্তানি বন্ধের আশঙ্কা
বন্দর চালু হলেও বর্ধিত মাশুল সমস্যার সমাধান হয়নি

দীর্ঘ কয়েকমাস বন্ধ থাকার পর সিলেটের তামাবিল ও সুনামগঞ্জের বড়ছড়া-চারাগাঁও স্থলবন্দর দিয়ে আবারো কয়লা আমদানি শুরু হয়েছে। এর ফলে এ দুটি স্থলবন্দরে প্রাণ চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। তবে বর্ধিত মাশুল সমস্যার সমাধান না হওয়ায় আবারো আমদানি-রপ্তানি বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সূত্র মতে এই দুটি শুল্ক স্টেশন কয়লা আমদানি করে দৈনিক অন্তত তিন লাখ টাকা রাজস্ব আয় করে থাকে। সিলেটের তামাবিল, বড়ছড়া, বাগলী ও চারাগাঁও  শুল্ক স্টেশন পাঁচটি বেশ বড় ও সমৃদ্ধ। সরকার এই শুল্ক স্টেশনগুলো দিয়ে শুধু কয়লা আমদানি বাবদ বছরে সাড়ে তিন কোটি টাকার মত রাজস্ব আয় করে থাকে।

‘নানা আইনী জটিলতার অবসান ঘটিয়ে সরকারের রাজস্ব আয়ের পথ সুগম হয়েছে। কয়েক হাজার বেকার শ্রমিকের কর্মসংস্থান হয়েছে’, এই মন্তব্য করে সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ এর সভাপতি  খন্দকার শিপার আহমদ বলেন, ব্যবসা বাণিজ্য আবার চাঙ্গা হয়েছে। শ্রমিকদের ঘরে প্রাণ ফিরে এসেছে।’  তামাবিল স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘ আট মাস পর ভারত থেকে কয়লা আমদানি শুরু হয় গত শুক্রবার বিকাল থেকে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার থেকে বড়ছড়াসহ পার্শ্ববর্তী আরো দুটি শুল্ক স্টেশন দিয়েও কয়লা আমদানি শুরু হয়।

এদিকে গত ২১ নভেম্বর ভারতের আদালত চার মাসের জন্য কয়লা রপ্তানির অনুমতি দিলেও মাশুল কমানোর দাবিতে আমদানি বন্ধ করে দেন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। সিলেট কয়লা আমদানি কারক সমিতির সভাপতি এমদাদ হোসেন বলেন, ‘এর ফলে বর্তমান ইট পোড়ানোর মৌসুমে ব্যবসায়ীদের সুবিধা হয়েছে। কিন্তু তামাবিল বন্দরের অতিরিক্ত মাশুল’র বিষয়ে এখনো সমাধান হয়নি।’ তিনি আরো বলেন, ‘আমরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের আশ্বাসের প্রেক্ষিতে আবারো গত শুক্রবার থেকে আমদানি-রপ্তানি শুরু করেছি। যদি মাশুল কমানো না হয় তা হলে ব্যবসায়ীরা আবারো আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ করে দিবেন’। এমদাদ হোসেন জানান, বন্দর কর্তৃপক্ষ লেবার হেন্ডেলিং চার্জ নেন। কিন্তু তারা সেখানে কোনো লেবার দিতে পারছেন না। 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২০ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:১৪
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৭
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
পড়ুন