রোহিঙ্গাদের জন্য ৯৫ কোটি ডলার প্রয়োজন
১১ মার্চ, ২০১৮ ইং

ইত্তেফাক রিপোর্ট

মিয়ানমার সেনাদের নৃশংসতার মুখে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংকট মোকাবেলায় আগামী ১০ মাসে ৯৫ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা প্রয়োজন। দুর্দশাগ্রস্ত রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণের সহায়তার জন্য আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত এই অর্থ ব্যয় করার পরিকল্পনা করেছে জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ সরকার। রোহিঙ্গাদের সময়মতো প্রত্যাবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তার মুখে এই যৌথ পদক্ষেপের বিষয়টি সামনে এসেছে।

গত বছরের আগস্ট থেকে নতুন করে রোহিঙ্গা সংকটের শুরু। এরপর চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রথম ছয় মাসে রোহিঙ্গাদের জরুরি ত্রাণ সহায়তায় ৪৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার প্রয়োজন বলে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন ত্রাণ সংস্থার হিসেবে বলা হয়। ওই প্রস্তাবের পর দাতা দেশগুলো ৪০ কোটি ডলার সহায়তা দিয়েছে। এখন আগামী ১০ মাসের জন্য ওই অর্থের দ্বিগুণেরও বেশি অর্থ সহায়তা প্রয়োজন। ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক মিয়া সেপ্পো সম্প্রতি গণমাধ্যমকে জানান, চলতি সপ্তাহে জেনেভায় প্রস্তাবটি উত্থাপন করার কথা রয়েছে। রোহিঙ্গাদের সহায়তার জন্য এই অর্থ জরুরি। তবে তিনি আশঙ্কা করছেন, এই তহবিল সংগ্রহ করা গতবারের চেয়ে আরও কঠিন হতে পারে।

এই অর্থ রোহিঙ্গাদের পাশাপাশি আশপাশের জনগণের প্রয়োজনীয়তায় ব্যয় করা হবে। এ বিষয়ে সেপ্পো বলেন, যে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে তাতে রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় মানুষদের প্রয়োজনগুলো এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের সাহায্যে যারা প্রথম এগিয়ে এসেছে তারা যেন দারিদ্র্য সীমার মধ্যে চলে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখাও জরুরি।

কক্সবাজারের ‘রিফিউজি রিলিফ এন্ড রিপ্যাট্রিয়েশন কমিশনার (আরআরআরসি) এর প্রতিবেদন অনুযায়ী রোহিঙ্গারা আশ্রয় নেওয়ার পর দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মজুরি কমে যাওয়া ও প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস হয়ে যাওয়ায় কক্সবাজারের স্থানীয় বহু মানুষ বিপদের মুখে রয়েছেন। প্রতিবেদনে মোট সহায়তার অন্তত ২৫ শতাংশ স্থানীয়দের জন্য ব্যয় করার সুপারিশ করা হয়েছে। গত ২৫ আগস্টের পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ৭ লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ মার্চ, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৬
যোহর১২:০৯
আসর৪:২৭
মাগরিব৬:০৯
এশা৭:২১
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৬:০৪
পড়ুন