এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
ফল প্রকাশ হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে :স্বাস্থ্যমন্ত্রী
বিশেষ প্রতিনিধি০৬ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
ফল প্রকাশ হবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে :স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সারাদেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজগুলোয় চলতি শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষা গতকাল শুক্রবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত একযোগে অনুষ্ঠিত এ পরীক্ষায় ৬৫ হাজার ৯১৯ শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছেন। রাজধানীর পাঁচটিসহ সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রে ২৭ ভেন্যুতে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার ৩৬ সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৪ হাজার ৬৮ জন এবং বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৬ হাজার ২৩২ শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবেন।

গতকাল পরীক্ষা শুরুর পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনে কেন্দ্র পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে বরাবরের মতো কেন্দ্রে প্রবেশ না করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাইরে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে সারাদেশে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হবে। যারা উত্তীর্ণ হয়ে এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি সুযোগ পাবেন তাদের আগাম অভিনন্দন জানাই। জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের দিন আগামী ১০ জানুয়ারি সব মেডিক্যালে ক্লাস শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির আসন বৃদ্ধি এবং নতুন মেডিক্যাল কলেজ অনুমোদনের কথা তুলে ধরে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, মেডিক্যাল কলেজে ভর্তিতে শিক্ষার্থীদের তীব্র প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হয়। অনেকে সরকারি মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ পান না। তাদের কথা বিবেচনা করে এবার সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ৭৫০টি আসন বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে নতুন করে চাঁদপুর, মাগুরা, নেত্রকোনা, নওগাঁঁ ও নীলফামারিতে মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকেই এসব মেডিক্যালে শিক্ষার্থীরা ভর্তি সুযোগ পাবেন।

পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সেখানে উপস্থিত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় অভিভাবকরা নিজেদের বিভিন্ন দাবির কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। অভিভাবকদের একজন বলেন, সরকারি মেডিক্যালে আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ার কারণে আমরা ছেলেমেয়েদের প্রাইভেটে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছি। সরকারি মেডিক্যালের আসন সংখ্যা বাড়ানো হলে  আমাদের প্রাইভেটে যাওয়া লাগত না। টাকা-পয়সার খরচও কমত। এ বিষয়ে তাত্ক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেননি স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

এ স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব জিএম সালেহ উদ্দিন, বিএসএমএমইউ উপাচার্য অধ্যাপক ডা. কনক বড়ূয়া, বিএমএ সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, ওভারসাইট কমিটির সদস্য কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ভর্তি পরীক্ষাকে নির্বিঘ্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আগের দিন বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যে জিপিএস ট্রাকিং সম্বলিত ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সরকারি ট্রেজারিতে পৌঁছানো হয়। সেখান থেকে পরীক্ষা শুরুর আধাঘণ্টা আগে প্রশ্নপত্র পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠানো হয়। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রে দায়িত্বরত শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারী কাউকে মোবাইল ফোন কিংবা ইলেকট্রনিক ডিভাইস বহন করতে দেওয়া হয়নি।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৬ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৬
যোহর১১:৪৭
আসর৪:০৩
মাগরিব৫:৪৫
এশা৬:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:৫১সূর্যাস্ত - ০৫:৪০
পড়ুন