পুনরায় শিক্ষক সংকটের আশঙ্কা
২৬ নভেম্বর, ২০১৭ ইং

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের আওতায় সেকেন্ডারি এডুকেশন কোয়ালিটি অ্যান্ড একসেস এনহান্সমেন্ট প্রজেক্ট (সেকায়েপ) সবচেয়ে দরিদ্র, দুর্গম ও নিম্নতম ফলাফল অর্জনকারী উপজেলা বাছাই করে মাধ্যমিক স্তরে  শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত উপজেলার যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান বিষয়ে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক নেই অথবা বিষয় শিক্ষক অপর্যাপ্ত সেগুলোতে তিনজন করে অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষক (ইংরেজি, গণিত ও বিজ্ঞান) নিয়োগ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে রংপুর জেলার গংগাচড়া উপজেলাধীন রাজবল্লভ দাখিল মাদ্রাসাসহ প্রায় ৪০টি মাধ্যমিক স্কুল ও মাদ্রাসায় এসিটি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। এসব এসিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সহকারী শিক্ষক পদমর্যাদায় রুটিন মাফিক ২০১৫ থেকে নিয়মিতভাবে পাঠদান করে আসছেন। এছাড়াও দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থী ও নিম্ন শিক্ষামান অর্জনকারী ছাত্রছাত্রীদের স্কুল বা মাদ্রাসা সময়ের আগে ও পরে এবং সাপ্তাহিক ছুটির দিনে উল্লিখিত বিষয়ে অতিরিক্ত ক্লাস নেন। প্রকল্পভুক্ত এসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির হার বৃদ্ধির পাশাপাশি বেড়েছে মেয়ে শিক্ষার্থীর উপস্থিতি। নিয়মিত হোম ভিজিটের মাধ্যমে হ্রাস পেয়েছে শিক্ষার্থীর ঝরেপড়া ও বাল্যবিবাহ। সুবিধাভোগী এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের এখন আর প্রাইভেট বা কোচিং করতে হয় না। এছাড়াও এসিটিদের বিভিন্ন উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডের কারণে শিক্ষার্থীরা সৃজনশীলতার প্রকাশ ঘটানোর সুযোগ পাচ্ছে। এ অবস্থায়, প্রকল্পের মেয়াদ যদি ডিসেম্বর ২০১৭-তে শেষ হয় তাহলে প্রকল্পভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুনরায় শিক্ষক সংকট বিরাজ করবে এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীর মনে বিরূপ প্রভাব ফেলবে। পাশাপাশি বিঘ্নিত হবে শ্রেণি পাঠদান কার্যক্রম। সুতরাং উল্লিখিত বিষয়ের আলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান পাঠদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে বর্তমান কর্মরত অতিরিক্ত শ্রেণি শিক্ষকদের (এসিটি) মেয়াদ বৃদ্ধি অথবা নতুন প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

নুর মোহাম্মদ

সুপারিনটেনডেন্ট,  রাজবল্লভ দাখিল মাদ্রাসা,

গঙ্গাচড়া, রংপুর

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৬ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:০১
যোহর১১:৪৬
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩০
সূর্যোদয় - ৬:২০সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পড়ুন