ফেনী-হরিণাঘাট মহাসড়কের দ্রুত বাস্তবায়ন চাই
১১ মার্চ, ২০১৮ ইং

গত এক দশকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগব্যবস্থা উন্নয়নে বিস্ময়কর অগ্রগতি হলেও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের  যোগাযোগব্যবস্থা যে তিমিরে ছিল সে তিমিরেই আছে। চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার সহজ ও দ্রুত যাতায়াতের মাধ্যম হচ্ছে চাঁদপুর-শরীয়তপুর ফেরি রুটের হরিণা ফেরিঘাট। ফেনী থেকে লক্ষ্মীপুর-রায়পুর-ফরিদগঞ্জ হয়ে এ ফেরিঘাটে যেতে ৪/৫ ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়। এর কারণ সড়কটি অত্যন্ত অপ্রশস্ত। ফেনী থেকে অপর সড়কটি হলো ফেনী-সোনাইমুড়ি-রামগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ। এ সড়কপথের দৈর্ঘ্য ফেনী-লক্ষ্মীপুর-রায়পুর-ফরিদগঞ্জ সড়কপথের দৈর্ঘ্য অপেক্ষা প্রায় ২৫ কিলোমিটার হ্রস্বতর। কিন্তু রামগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ সংযোগ সড়কটি ভারী যানবাহন চলাচলের অনুপযোগী; এ সড়কপথটি সরু এবং পথের ওপর দুটি গ্রাম্য বাজার অবস্থিত। ফেনী থেকে রামগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ হয়ে হরিণা ফেরিঘাট পর্যন্ত সড়কটি চার লেনে উন্নীত করা অপরিহার্য। আর এটা করা হলে ফেনী থেকে ২ ঘণ্টায় হরিণাঘাট পৌঁছানো যাবে। চট্টগ্রাম থেকে সড়কপথে যশোর, খুলনা, বরিশাল ও গোপালগঞ্জ যেতে সর্বোচ্চ ৮ ঘণ্টা সময় ব্যয় হবে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা-মাওয়া বা ঢাকা-পাটুরিয়া ঘুরে ঐ সব শহরে যেতে এলাকাভেদে ১৬ থেকে ২০ ঘণ্টা সময় ব্যয় হয়। পদ্মা সেতু চালু হলে শুধু ফেরি পারাপারের সময় সাশ্রয় হবে। যাত্রী ও পণ্যবাহী যানবাহনগুলোকে ৪টি সেতুতে টোল দিতে হবে। চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যাতায়াতের দুর্ভোগ থেকেই যাবে। চট্টগ্রাম-খুলনা মহাসড়ক কার্যকর রাখতে হলে হ্রস্বতম দূরত্বে ফেনী-হরিণাঘাট মহাসড়ক বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। বিষয়টির প্রতি সড়কপরিবহন ও সেতুমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

এম এ শাহেনশাহ

পরিচালক, শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইআর), চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ মার্চ, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৬
যোহর১২:০৯
আসর৪:২৭
মাগরিব৬:০৯
এশা৭:২১
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৬:০৪
পড়ুন