ত্রিশ থেকে বত্রিশ—ঊনষাট নয় ষাট
০৫ এপ্রিল, ২০১৮ ইং

৩০ থেকে একবারে ৫ বছর বাড়িয়ে ৩৫ করার সিদ্ধান্তটি কতটুকু যৌক্তিক সেটা ভাবনার বিষয় হলেও বর্ধিতকরণের ব্যাপারটি কিন্তু অপরিহার্য়। কারণ একজন প্রার্থী তার শিক্ষা লাভের পরপরই তো চাকরিতে প্রবেশ করতে পারে না। এখন হয়তো সেসনজটের ঝামেলা ততটা প্রকট নয়, তবে অনার্স/মাস্টার্স শেষ করে প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে বেশ কয়েক বছর সময় ব্যয় হয়। যদিও সরকারি, বেসরকারি ও ব্যাংকে চাকরির ক্ষেত্র আগের চেয়ে কিছুটা সম্প্রসারিত, তবে চাহিদার তুলনায় তা একেবারে নগণ্য। তাই বয়সসীমা অন্যুন বত্রিশ হওয়া আবশ্যক। আগে ৫৭ থেকে ২ বছর বাড়ানো হলেও আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে এ সময়সীমা ৬০ বা তার ওপরে বলবত্ আছে। আমাদের দেশেও মুক্তিযোদ্ধা, বিচারপতি, শিক্ষক, চিকিত্সকসহ কয়েকটি ক্ষেত্র ও পেশায় বয়সসীমা ষাটোর্ধ্ব নির্ধারিত।  বর্তমানে আমাদের দেশে গড় আয়ু বৃদ্ধির ফলে একজন চাকরিজীবী ষাট বছর পর্যন্ত কর্মক্ষম থাকেন। তাছাড়া নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান/অব্যাহত থাকায় নতুন চাকরিপ্রার্থীদের বেকার থাকার আশঙ্কা থাকছে না। এমনিতেই ১৯৮৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১৫/১৬ বছর সরকারি চাকরিতে নিয়োগ প্রক্রিয়া বন্ধ ছিল। ফলে প্রয়োজনের তুলনায় অর্ধেক বা এক তৃতীয়াংশ জনবল দিয়ে এখন সরকারি প্রতিষ্ঠান, ব্যাংকগুলো চলছে। উপরন্তু চলতি বছর জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের সিংহভাগ চাকরি থেকে অবসরে গেলে প্রতিষ্ঠানগুলো জনবল ঘাটতিতে পড়বে। তাই অশ্রুতিমধুর ‘উন’ শব্দটি বাদ দিয়ে চাকরির মেয়াদকাল ষাট হওয়া বাঞ্ছনীয়। এতে দেশ ও জাতি উপকৃত হবে।

হাফিজ সেলিম

১৪৫/১ আহমদবাগ, বাসাবো, ঢাকা

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৫ এপ্রিল, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩০
যোহর১২:০২
আসর৪:৩০
মাগরিব৬:১৯
এশা৭:৩২
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৬:১৪
পড়ুন