আমাদের অভিন্ন পেশা
আমাদের অভিন্ন পেশা
বিভিন্ন পেশার মধ্যে ডাক্তার, পুলিশ, সাংবাদিকতা —এ ধরনের পেশাগুলো একজন নারীর পক্ষে সাংসারিক জীবনের পাশাপাশি চালিয়ে যাওয়া বেশ কঠিন। অন্যান্য পেশায় একটা নির্দিষ্ট সময় রয়েছে। কিন্তু পুলিশ বা  ডাক্তারি  ধরনের  পেশায় একজনের নির্দিষ্ট  কোনো সময় নেই। ডিউটি যে কোনো দিন যে কোনো সময় হতে পারে। তাই  দেখা যায় একজন ডাক্তার বেশিরভাগ সময় একজন ডাক্তারকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। এক্ষেত্রে স্বামী-স্ত্রীর পরস্পরকে বুঝতে জানতে অনেক বেশি সুবিধা হয়। এ বিষয়ে জানতেই কথা হচ্ছিল ডাক্তার দম্পতি ডা. সালমুন নাহার নিপু ও ডা. আশরাফুল আলম রনির সাথে। তাদের বিয়ের তিন বছর হতে চলল। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে।

ডা. সালমুন নাহার নিপুর কাছে জানতে চাইলাম তার পেশাজীবন ও সংসারজীবন সম্পর্কে।  বর্তমানে তিনি দৌলতপুর থানার হেলথ কমপ্লেক্সে আছেন। তিনি ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ থেকে পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন। ছোটবেলা থেকেই তার ডাক্তার হওয়ার ইচ্ছা ছিল। মেডিক্যালে তাদের ব্যাচে ৫০ জনের মধ্যে ৩২ জনই ছিলেন নারী। অর্থাত্ ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা সংখ্যায় একটু বেশি ছিলেন। অনান্য ব্যাচেও ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের সংখ্যা বেশি  না হলেও সমান সমান। অনেক নারী ডাক্তার হিসেবে প্রতিবছর বের হলেও অনেক সময়ই দেখা যায় সংসার ও নানা কারণে তারা তাদের ডাক্তারি চর্চা চালিয়ে যাওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। মাঝ পথে সন্তান, স্বামীর কথা চিন্তা করে ভুলে যেতে হয় নিজের ক্যারিয়ারের স্বপ্ন। তিনি বলেন, এখন দুই সন্তানকে রেখে কিভাবে তিনি চাকরি চালিয়ে যাবেন সেটা তার জন্য এক কঠিন পরীক্ষা। তার স্বামী ডা. আশরাফুল আলম রনি ঢাকায় পোস্ট গ্রাজুয়েশন করছেন। তাই এখন তারা দুই জায়গায়। মাসে হয়ত বা একবার কি দুইবার দেখা হয় তাদের। তাই দুই সন্তানকে দেখাশোনার দায়িত্ব এখন তার ওপরই।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন