ন্যানোবিজ্ঞানীর সাফল্য
০৬ নভেম্বর, ২০১৭ ইং
ন্যানোবিজ্ঞানীর সাফল্য

  আয়েশা আলম প্রান্তি

 

বাংলাদেশি গবেষক আয়েশা আরেফিন টুম্পা। ন্যানো সায়েন্টিস্ট। বিশ্বের প্রথম ‘কৃত্রিম ফুসফুস’ আবিষ্কার করে চিকিত্সাবিজ্ঞানে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। তিনি বর্তমানে লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে স্ট্রোকের কারণ অনুসন্ধানে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

টুম্পা শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি বিভাগের ২০০৫-০৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১১ সালে আমেরিকার আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির গবেষক ক্রিস ডেটার ও তাঁর সহকর্মী ল্যান্স গ্রিনের সহযোগিতায় আয়েশা লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে উচ্চতর পড়াশোনা ও গবেষণার সুযোগ পেয়েছিলেন।

আয়েশা আরেফিন প্রথমে তার ক্যারিয়ার শুরু করেন লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির বায়ো-সিকিউরিটি বিভাগে। এর পর ল্যাবের ভারতীয় গবেষক প্রখ্যাত টক্সিকোলজিস্ট রাশি আইয়ার আয়েশাকে অপ্টোজেনিক্স সংক্রান্ত গবেষণা কাজের জন্য নিয়োগ দেন। অপ্টোজেনিক্স হচ্ছে জিন বিদ্যা ও প্রোটিন প্রকৌশলের মাধ্যমে জীবন্ত টিস্যুর মাঝে ঘটতে থাকা বিভিন্ন স্নায়ুবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ও কৃত্রিম টিস্যু বা কলা তৈরি করা সম্ভব।

আয়েশা ও রাশি আয়ারের দলের অন্য সদস্যরা বিভিন্ন জীবাণু দ্বারা সৃষ্ট বিষক্রিয়া, রোগ ও কৃত্রিম অঙ্গ সংস্থাপনের জন্য সম্পূর্ণ নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন করেছেন। তাঁরা একটি কৃত্রিম মানব ফুসফুস তৈরি করেন। তাঁদের উদ্দেশ্য  ছিল, ক্রোনিক অবস্ট্রাক্টিভ পালমনারি ডিজিজ- এর সময় ফুসফুসের কোষগুলো কিভাবে কাজ করে তা জানা ও এর প্রতিষেধক  উদ্ভাবন করা। আয়েশা  আরেফিন একই সাথে বিভিন্ন স্নায়ুবিক ব্যাধি ও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ নিয়েও  গবেষণা করছেন।

আয়েশা আরেফিন বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব নিউ মেক্সিকোতে

ন্যানো-সায়েন্সের উপর ডক্টরেট করছেন। একই সাথে লস আলামস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে চলছে তাঁর গবেষণা। বাংলাদেশে নানা প্রতিকূলতার মাঝে নারীদের এগিয়ে চলার পথে আয়েশা আরেফিনের এমন সাফল্য অনুপ্রেরণার।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৬ নভেম্বর, ২০২০ ইং
ফজর৪:৫০
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৪১
মাগরিব৫:২০
এশা৬:৩৫
সূর্যোদয় - ৬:০৮সূর্যাস্ত - ০৫:১৫
পড়ুন