সফল শিরিন আক্তার
০৪ জুন, ২০১৮ ইং
সফল শিরিন আক্তার

 

পরিবারের বোঝা না হয়ে শুরু করেন

ফ্যাশন হাউজের ব্যবসা। এই ব্যবসা

করে সন্তান নিয়ে সুখে কাটছে

শিরিনের সংসার

  মো. আমিরুজ্জামান

 

ভালবেশে বিয়ে তারপর এক কন্যা    সন্তানের পর ছাড়াছাড়ি। অনেক চেষ্টা করেও সংসার টেকেনি তার। ফিরে আসেন বাবা-মায়ের ঘরে। পরিবারের বোঝা না হয়ে শুরু করেন ফ্যাশন হাউজের ব্যবসা। এই ব্যবসা করে সন্তান নিয়ে সুখে কাটছে শিরিনের সংসার।

নীলফামারীর সৈয়দপুর শহরের মিস্ত্রিপাড়া মন্দির রোডের বাসিন্দা নূর হোসেন খানের মেয়ে শিরিন আক্তার। দুই ভাই এক বোনের মধ্যে সবার আদরের সে। বাবা রেলওয়ে কারখানায় চাকরি করতেন। বর্তমানে অবসর জীবন যাপন করছেন। কলেজে পড়াশোনা করার সময় ভালবাসার সম্পর্ক গড়ে ওঠে একই শহরের কয়া গোলাহাট এলাকার জর্দা ব্যবসায়ী শাহিদ শামীমের সাথে।

শিরিন পরিবারের বোঝা না হয়ে বাসাতেই শুরু করেন থ্রি-পিসের ব্যবসা। ঢাকা ও বিভিন্ন স্থান থেকে কাটা নজরকাড়া থ্রি-পিস সংগ্রহ করে বাসাতেই একটি দোকান সাজিয়ে বিক্রি শুরু করেন। মেয়ের নামে দোকানের নাম রাখেন জাবেরিয়া ফ্যাশন। প্রতিদিন অনলাইনে অর্ডার পাচ্ছেন দোকানে। এছাড়া নারী ক্রেতারা তার ফ্যাশন হাউজে এসে কাপড় কিনছেন। এভাবে ভালোই চলছে শিরিনের দিনকাল।

শিরিন জানায়, ভালবেসে পরিবারের অমতে ওই ছেলেকে বিয়ে করেছিলাম। প্রথম প্রথম সংসার ভালো চলায় কোল জুড়ে আসে ফুটফুটে কন্যা সন্তান। এরপর স্বামী ও পরিবারের লোকজন যৌতুক ও নানা কারণে নির্যাতন শুরু করেন এবং এক সময় বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেন। এভাবে ৭টি বছর কাটার পর স্বামীর বাড়ি থেকে বিতাড়িত হন তিনি। এনিয়ে অনেক সালিশ ও দেনদরবার হয়েছে কিন্তু কোনো কাজই হয়নি।

আগে থেকেই কাপড় সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারণা থাকায় শিরিন ফ্যাশন হাউজ গড়ে তোলেন। পাশাপাশি নানা জাতের কবুতর পালন করে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন শিরিন। ফলে বর্তমানে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন শিরিন আক্তার। শিরিনের মা শেফালি বেগম জানান, সংসার করার অনেক চেষ্টা করে অনেকের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। শিরিনের মনোবল দৃঢ় থাকায় সে এই ব্যবসা করে কাজের মধ্যে রয়েছেন এবং আয়-রোজগার করে সন্তানকে লালন-পালন করছেন।

 

 

 

 

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৪ জুন, ২০২০ ইং
ফজর৩:৪৪
যোহর১১:৫৭
আসর৪:৩৭
মাগরিব৬:৪৬
এশা৮:০৯
সূর্যোদয় - ৫:১০সূর্যাস্ত - ০৬:৪১
পড়ুন