নিশির এগিয়ে চলা
মহিলা অঙ্গন প্রতিবেদক১২ নভেম্বর, ২০১৮ ইং
নিশির এগিয়ে চলা
 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্কুটিতে করে ঘুরে বেড়ায় মেয়েটি। এই স্কুটি চালিয়েই চলে যায় গণভবনে। ঢাকার রাস্তায় চলাচল করেন স্কুটিতে করেই। বলছিলাম বেনজীর হোসেন নিশির কথা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগ থেকে অনার্স এবং মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে তৃতীয় হয়েছেন। এসএসসি করেছেন মাগুরা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে। এইচএসসি করেছেন মাগুরা সরকারি মহিলা কলেজ থেকে। উভয় পরীক্ষায় পেয়েছেন জিপিএ ফাইভ। মেয়েটির বাবা আশরাফ হোসেন এবং মা জাহানারা আশরাফ। বাড়ি মাগুরা সদরে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিশি। এছাড়া ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল ডিবেটিং ক্লাবের সভাপতি ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং ক্লাবের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।

 ছোটবেলা থেকে সংগীত চর্চা করছেন। খেলাধুলায়ও রেখেছেন কৃতিত্বের স্বাক্ষর। বাড়ির আলমারির তাকে সাজানো রয়েছে সে সবের স্বীকৃতি। শিশু সাংবাদিক হিসেবেও কাজ করেছেন। সেই ছোট থেকেই যুক্ত আছেন নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে।

নারীদের রাজনীতি প্রসঙ্গে নিশি বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক নারী। তাই এই জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য মেয়েদের রাজনীতিতে আসা উচিত। মেয়েদের এগিয়ে নিতে কাজ করতে হবে মেয়েদের, এটির বিকল্প নেই।   

নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে নিশি বলেন, ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে এবং বিংশ শতাব্দীর শুরুতে বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনা নারীর ক্ষমতায়নে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে নারীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করেছে। প্রত্যাশা করছি এটি অব্যাহত থাকবে।

পরিবার প্রসঙ্গে বললেন, আমাদের দেশে মেয়েদের রাজনীতিতে আসা সহজ কাজ নয়। এটিই হলো বাস্তবতা। তবে এদিক দিয়ে আমি ভাগ্যবতী। আমার পরিবার সবসময় আমাকে সাপোর্ট দেয়। আমাকে দেখে আরো মেয়ে রাজনীতিতে আসবে- এটাই আমার চাওয়া। 

সামনে কী পরিকল্পনা রয়েছে? জানতে চাইলে নিশি বললেন, স্বপ্ন দেখি নারীর আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণ সুনিশ্চিত করতে মহান জাতীয় সংসদে এসে আইন প্রণয়নে ভূমিকা রাখবো। বঙ্গবন্ধু কন্যার পাশে থেকে কাজ করতে চাই।

হলের দায়িত্ব পালনের সময় নিয়েছেন বেশ কিছু ব্যতিক্রমী উদ্যোগ। নিজের হলে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ করার পিছনে ভূমিকা রেখেছেন। এই কর্নারে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত বেশ কিছু বই রয়েছে। এছাড়া রয়েছে জাতির জনকের কিছু দুর্লভ ছবি। হলে বঙ্গমাতার প্রতিকৃতি স্থাপনেও অবদান রেখেছে নিশি। হলের নামের আগে ‘বঙ্গমাতা’ সংযোজন করা হয়েছে আমাদের দাবির প্রেক্ষাপটে- বললেন নিশি।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১২ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৯
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পড়ুন