কোরীয় উপদ্বীপ কেন অশান্ত হলো?
মুহা. রুহুল আমীন৩০ এপ্রিল, ২০১৮ ইং
কোরীয় উপদ্বীপ কেন অশান্ত হলো?
গত ২৭ এপ্রিল শুক্রবার উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার শূন্যরেখায় অবস্থিত যুদ্ধমুক্ত অঞ্চল পানমুনজম গ্রামের দক্ষিণ কোরিয়ার অংশে অনুষ্ঠিত মুন-কিম শীর্ষ বৈঠকের পর বিশ্বব্যাপী এ ধারণা উপচে পড়ছে যে অবশেষে কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে এবং শীঘ্র দুই কোরিয়া একত্রিত হচ্ছে। ইতঃপূর্বেও কয়েকবার অনুরূপ প্রত্যাশা দেখা দিলেও শেষ পর্যন্ত দুই কোরিয়ার মধ্যকার গভীর অবিশ্বাস এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বৃহত্ শক্তিবর্গের আধিপত্যবাদী নীতির কারণে তা বাস্তবায়িত হতে পারেনি।

কোরীয় উপদ্বীপ কেন অশান্ত হলো, তার রাজনৈতিক, কুটনৈতিক ও ঐতিহাসিক কারণ চিহ্নিত করা খুবই জরুরি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের পূর্ব পর্যন্ত কোরীয় উপদ্বীপের দখল ও শাসনভার ছিল জাপানের হাতে। যুদ্ধোত্তরকালে স্নায়ুযুদ্ধের ছোবলে পড়ে কোরিয়া উত্তর ও দক্ষিণ এ দু’ভাগে বিভক্ত হয় এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্য বলয়ে পতিত হয়। ১৯৫০ সনের কোরীয় যুদ্ধ উত্তর ও দক্ষিণের মাঝে দীর্ঘ ক্ষত সৃষ্টি করে। উত্তর কোরিয়ার আঞ্চলিক বন্ধু হিসেবে চীনের আবির্ভাব ঘটে এবং আন্তর্জাতিক মিত্র হিসেবে সোভিয়েত ইউনিয়ন বৈশ্বিক আধিপত্য লড়াইয়ের রেখায় উত্তর কোরিয়াকে যুক্ত করে। অন্যদিকে দক্ষিণ কোরিয়া তার দীর্ঘদিনের প্রতিবেশী শত্রু জাপানের সঙ্গে অবিশ্বস্ত বন্ধুত্বের রজ্জুতে বাধা পড়ে, যা স্নায়ুযুদ্ধেরই ফলশ্রুতি। স্নায়ুযুদ্ধের ছোবলে পড়ার পর দুই কোরিয়া তাদের স্বাধীন চিন্তা-চেতনা, রাজনৈতিক দর্শন ও আত্মমিলনের অভিব্যক্তি ও উচ্ছাসটুকুও হারিয়ে ফেলে। কেবল বিশ্ব রাজনীতির ক্রীড়নক হয়ে উপর্যুপরি শত্রুতা, যুদ্ধ-উসকানি ও ক্রোধ বিনিময় করে। ১৯৫৩ সালে লোকদেখানো শান্তিচুক্তি হলেও কোরীয় উপদ্বীপ অশান্তি, যুদ্ধ-দামামা ও দুর্ভাগ্যের অগ্নিকু্লে পরিণত হয়। এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক স্থাপনা গড়ে তোলে এবং নিরবচ্ছিন্নভাবে উত্তর কোরিয়ার প্রতি হুমকি ছুড়তে থাকে।

১৯৬৮ সালে দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট পার্ক চুং হিকে হত্যা চেষ্টা, ১৯৭৬ সালে দুই কোরিয়ার সীমান্তে দুজন মার্কিনিকে হত্যা, ১৯৮৩ সালে মিয়ানমারে দক্ষিণের প্রেসিডেন্ট চুন দু হোয়ানের উপর বোমা হামলা এবং সর্বোপরি ১৯৮৭ সালে কোরীয় এয়ার ফ্লাইটে বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে দক্ষিণ কোরিয়ায় শত্রুতা সম্মুখ সমরের দিকে উভয়কে ধাবিত করে। ইতোমধ্যে স্নায়ুযুদ্ধের অবসান হলেও রাশিয়া ও চীনের প্রভাবের কারণে উত্তর কোরিয়ার সামরিক শৌর্য ও রাজনৈতিক শক্তি উদ্দীপিত হয় দক্ষিণের সঙ্গে তার শত্রুতা ও যুদ্ধ-দামামা জিইয়ে রাখতে। আর যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক আধিপত্য বিস্তারের লক্ষ্য পূরণে তার প্রভাব প্রতিপত্তি ও রাজনৈতিক সামরিক সহযোগিতার ছায়া দক্ষিণ কোরিয়াকে উত্তরের বিরুদ্ধে সামরিক ও রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অন্ধ করে রাখে।

কোরীয় উপদ্বীপে বিরাজমান আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক আধিপত্যবাদী শক্তিসমূহের বৈশ্বিক লড়াই সত্ত্বেও দু’কোরিয়ার কতিপয় শান্তিবাদী নেতার আগ্রহ ও রাজনৈতিক অন্তর্দৃষ্টির কল্যাণে দেশদুটির মিলন প্রক্রিয়ার মেঘপূর্ণ আকাশেও শান্তির রংধনু দেখা দেয় মাঝে মাঝে। দক্ষিণের শান্তিবাদী প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জুং এর ২০০০ সালে প্রণীত ‘সানশাইন’ নীতি দু’কোরিয়াকে পুনর্মিলনের মহাসম্মেলনে একত্রিত করতে সক্ষম হয়। ‘সানশাইন নীতির’ সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনায় গড়ে ওঠা ‘কায়ে সং’ শিল্প নগরীতে উত্তরের শ্রমিকরা কাজ করার সুযোগ পায় যা পর্যটন খাতকেও উন্নত করে উভয়ের মাঝে মিলনের উজ্জ্বল সম্ভাবনার নতুন দুয়ার উন্মোচিত করে। দুঃখজনক হলো ২০০৮ সালে দক্ষিণের ক্ষমতায় কট্টরপন্থী লি মিয়ং-বাকের আসন গ্রহণের সাথে সাথে মিলনপ্রক্রিয়া থমকে দাঁড়ায়। উত্তর কোরিয়া প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার ভয়ঙ্কর পথে পা দিয়ে কোরীয় উপদ্বীপের শান্তির নিভু নিভু প্রদীপটিকে চিরতরে নির্বাপিত করে দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতার আসনে পা রেখেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প উত্তর-দক্ষিণের দ্বন্দ্বে ঘৃতাহুতি দেন। তিনি কোরীয় উপদ্বীপ সংলগ্ন প্রশান্ত মহাসাগরে যুদ্ধজাহাজ পাঠান। দক্ষিণ কোরিয়ায় সামরিক মহড়ার আয়োজন করেন এবং ইইউকে সাথে নিয়ে উত্তর কোরিয়ার উপর উপর্যুপরি কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। উত্তর কোরিয়ার নেতা প্রেসিডেন্ট কিম ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যে অরুচিকর ব্যক্তিগত গালাগাল ও কুত্সা রটনা চলে বেশ কিছুদিন। যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক যুদ্ধ-হুমকির জবাবে উত্তর কোরিয়া অব্যাহত পারমাণবিক পরীক্ষা চালাতে থাকে। এক পর্যায়ে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখ্লে আঘাত হানা যায় এমন ক্ষমতাসম্পন্ন পারমাণবিক অস্ত্র ও আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে হাত দেয় উত্তর কোরিয়া।

এমন শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতিতে দুই কোরিয়ার বর্তমান শীর্ষ বৈঠক এ কথারই প্রমাণ দেয় যে, শান্তি অর্জনের পথে, মিলনের মোহনায় স্থায়ী শান্তি অর্জনের চ্যালেঞ্জটুকু দু’কোরিয়াকেই নিতে হবে। তাদের আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রভুদের প্রভাব থেকে নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করে স্বীয় দেশ ও জনগণের একত্রিত হওয়ার মহান লক্ষ্য পূরণের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে তাদেরকে নির্মোহ নীতিতে অনড় থাকতে হবে, স্থাণুর মতো দাঁড়াতে হবে পুনর্মিলন কেন্দ্রে। দক্ষিণের শান্তিবাদী প্রেসিডেন্ট মুন জায়ে-ইনের শীতকালীন অলিম্পিকে নিজের বোনের নেতৃত্বে উত্তর কোরিয়ার অংশগ্রহণের মাঝ দিয়ে উত্তরের নবউদিত শান্তিবাদী নেতা কিম জং উন প্রমাণ করেছেন, শান্তির প্রতিজ্ঞা বাস্তবায়নে উত্তর ও দক্ষিণের সদিচ্ছা ও সুষ্ঠু নীতিই যথেষ্ট। কিম-মুন শীর্ষ বৈঠকটি কোরিয়ায় শান্তি স্থাপনে বহিঃপ্রভাবমুক্তির অকাট্যতা ও অপরিহার্যতার সত্যটিকে বিশ্ববাসীর সামনে নিয়ে এসেছে।

মিলন-গাথার অজস্র স্মৃতি ও অপার সম্ভাবনাময়তায় পরিপূর্ণ উচ্ছ্বসিত শান্তির শীর্ষ সম্মেলনে উত্তরের নেতার মুখনিঃসৃত আবেগময় প্রকাশ— ‘এক জাতি, এক ভাষা, এক রক্ত’— শান্তির প্রতিশ্রুতিকে দোরগোড়ায় নিয়ে এসেছে। ২০০০ ও ২০০৭ সালে কিমের পিতা কিম জং-২ দক্ষিণের শান্তিবাদী নেতার সঙ্গে পুনর্মিলনের যে পূর্বধারা রচনা করেছিলেন, তা এগিয়ে নেয়ার ঐতিহাসিক দায়িত্ব উত্তরের বর্তমান নেতা তরুণ কিমের উপর। ১৯৫০ এর ভয়াবহ যুদ্ধের পর প্রথমবারের মতো উত্তরের শীর্ষ নেতা দক্ষিণের ভূমিতে পা রেখে, অতীতের কুসংস্কার ভেঙে স্ত্রী, পরিবার ও উচ্চ পর্যায়ের অফিসারদেরকে নিয়ে মিলন-চুক্তির স্বাক্ষর করে, সীমান্তের যুদ্ধমুক্ত এলাকায় শান্তির প্রতীক পাইন বৃক্ষ রোপণ করে এবং তাতে উত্তর পাইকতু পর্বতের মাটি ও দক্ষিণের হাল্লা পর্বতের মাটি আর উত্তরের তাইদং নদীর পানি ও দক্ষিণের হান নদীর পানি সিঞ্চিত করে দুকোরিয়া এ কথারই স্থায়ী প্রমাণ রচনা করেছেন যে তাদের মিলন-শান্তি স্থায়ী হবে। চুক্তির পর উভয়ের অংশগ্রহণে ‘একের বসন্ত’ (spring of one) নামক ভিডিও ক্লিপ দেখা এবং ‘আবার এক পরিবার হয়ে যাও’ নামক কে-পপ (k-pop song) সংগীতের মূর্ছনায় লীন হয়ে যাওয়া তাদের স্থায়ী শান্তির পথে দৃঢ় প্রত্যয়ের প্রমাণ রাখে।

দু’মহান নেতার শীর্ষ বৈঠক যা ‘পানমুনজম ঘোষণা’ নামে বিশ্বব্যাপী প্রচারিত হয়েছে, তার মূল প্রতিপাদ্যগুলো হলো: (১) অপারমাণবিকায়নের মাধ্যমে সম্পূর্ণ পরমাণুমুক্ত কোরীয় উপদ্বীপ তৈরিতে উভয়ের সম্মতি; (২) ধাপে ধাপে নিরস্ত্রীকরণের পথে ধাবিত হওয়া এবং মে মাস থেকে বেসামরিকীকৃত এলাকার আশেপাশে শত্রুতামূলক কর্মকা্ল বন্ধ করা; (৩) আগষ্ট-সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় এশিয়ান গেমস-এ দু কোরিয়ার যৌথ অংশগ্রহণ; (৪) ১৫ আগস্টের মধ্যে দুপারের কোরীয় পরিবারগুলোর পুনর্মিলন; (৫) এ বছরের শরতে দক্ষিণের প্রেসিডেন্টের উত্তর কোরিয়া সফর নিশ্চিতকরণ; (৬) দুকোরিয়ার মাঝে যোগাযোগের হটলাইন স্থাপন এবং উভয় নেতার মধ্যে নিয়মিত উচ্চ পর্যায়ের আলাপ আলোচনা চালিয়ে যাওয়া; (৭) চীন ও যুক্তরাষ্ট্রসহ ত্রিপক্ষীয় বা চতুর্পক্ষীয় আলোচনা শুরু করা।

আগামী মে বা জুন মাসে উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মধ্যে অনুষ্ঠেয় শীর্ষ বৈঠকটি এ মুহূর্তে খুবই গুরুত্বপূণর্। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যদি তার দেশের দখলতত্ত্ব (hegemonic stability theory) বজায় রাখার নীতি নিয়ে কোরীয় উপদ্বীপকে অশান্ত রাখার কৌশল নেন তাহলে শান্তিপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হবে। এ ব্যাপারে দু কোরিয়াকেই সতর্ক থাকতে হবে। কিম-ট্রাম্প শীর্ষ বৈঠকে সবচেয়ে বড় ইস্যু হবে উভয় কোরিয়ার পারমাণবিক স্থাপনা বন্ধ করা এবং এর বদৌলতে উভয় কোরিয়ার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্পস্ট নির্মোহ ও কোরিয়ার কাছে গ্রহণযোগ্য প্রস্তাব প্রদান করা। উভয় কোরিয়ার কাছে এ বিষয়টি ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত যে, তার নিরাপত্তার গ্যারান্টি দিতে হবে। তবে এ ব্যাপারে চীন, রাশিয়া, জাপানকে সংযুক্ত করে ছয়জাতি শীর্ষ বৈঠকের গুরুত্ব অপরিসীম। কিম-ট্রাম্প শীর্ষ বৈঠকে এ সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যে বিবিসি চীনা বিজ্ঞানীদের উদ্ধৃতি দিয়ে খবর দিয়েছে যে, উত্তর কোরিয়ার পুঙ্গিরি পরমাণু কেন্দ্র যেখানে থেকে ২০০৬ সালের পর কমপক্ষ ছয়টি পরীক্ষা চালানো হয়েছে তার একাংশ ধসে পড়েছে। ট্রাম্প-কিম বৈঠকের আগে কিম সবরকমের পরীক্ষা বন্ধের ঘোষণার কারণ হিসেবে চীনা বিজ্ঞানীরা ঐ ধসের ব্যাপারটিকে চিহ্নিত করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র এ খবরটিকে সুযোগ হিসেবে নিতে পারে এবং কিমের পারমানবিক পরীক্ষা বন্ধের স্থায়ী কূটনীতিক প্রতিশ্রুতি আদায় করতে পারে। বিনিময়ে উত্তর কোরিয়ার নিরাপত্তা গ্যারান্টি ঘোষণা করতে পারে। দু কোরিয়া একত্রিত হলে কোরীর উপদ্বীপে চীনের প্রভাব সীমিত হবে এবং একত্রিত কোরিয়া বহিঃশক্তি হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বেশি সখ্য চাইবে, অতি দ্রুত সানশাইন নীতের ফলশ্রুতিতে গড়ে উঠা কায়েসং শিল্পনগরী যা ২০১৬ সালে বন্ধ করা হয়, তা খুলে দিয়ে উত্তর কোরীয়দের সেখানে কাজ করার সুযোগ দ্রুত উত্তর-দক্ষিণ আন্তঃযোগাযোগের দৃঢ় সন্ধি রচনা করবে।

বর্তমান সময়ের শ্বাসরুদ্ধকর আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে কোরীয় উপদ্বীপের উদীয়মান শান্তি-প্রক্রিয়া সুপ্রতিষ্ঠিত করতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক স্বার্থ-চক্রকে বেশ ছাড় দিতে হবে এবং শান্তির লক্ষ্যে অভীষ্ট গন্তব্যে যেতে সবাইকে নিঃস্বার্থ নির্মোহ হতে হবে। কোরীয় উপদ্বীপে শান্তির যাত্রা ভূমধ্যসাগরের জলতরঙ্গে আছড়ে পড়া অস্বস্তির ধারা দূরীভূত করবে এবং আফ্রো এশিয়ার অশান্তিময় এলাকায় শান্তি স্থাপনে বিশ্বসমাজকে কাজ করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

n লেখক:প্রফেসর, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ইমেইল—[email protected]

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩০ এপ্রিল, ২০২১ ইং
ফজর৪:০৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩২
মাগরিব৬:২৯
এশা৭:৪৭
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:২৪
পড়ুন