মির্জাপুরে অবৈধভাবে গড়ে উঠেছে শতাধিক স’মিল
উজাড় হচ্ছে বন, রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার
সরকারি আইন অমান্য করে অবৈধভাবে গড়ে উঠা শতাধিক করাত কলে (স’ মিলে) প্রকাশ্যে চিড়াই করা হচ্ছে বনাঞ্চল থেকে চোরাই পথে কেটে আনা বিভিন্ন প্রজাতির মূল্যবান কাঠ। এতে এক দিকে উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল অপর দিকে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। একটি প্রভাবশালী মহলের দাপটে উজাড় হচ্ছে বনাঞ্চল। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে এসব অবৈধ করাত কল। গতকাল শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরেজমিন ঘুরে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে এবং বনাঞ্চলের ভিতরে প্রকাশ্যে এসব করাত কলে চোরাই কাঠ চিড়াই করে পাচার করতে দেখা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে এবং পৌরসভার আশপাশেই গড়ে উঠেছে এসব অবৈধ করাত কল। উপজেলার মহেড়া, জামুর্কি, ফতেপুর, বানাইল, আনাইতারা, ভাদগ্রাম, ওয়ার্শি, ভাওড়া, বহুরিয়া, গোড়াই, লতিফপুর, আজগানা, তরফপুর ও বাঁশতৈল ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট বাজারে অন্তত শতাধিক করাত কল রয়েছে যাদের কোন সরকারি অনুমোদন নেই। একটি প্রভাবশালী মহলকে ম্যানেজ করে এসব করাত কল অবৈধভাবে গড়ে তোলা হয়েছে বলে গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

হাটুভাঙ্গা বাজারের করাত কল মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেন মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, করাত কল গড়ে তোলার জন্য সরকারিভাবে কোন অনুমোদন দেয়া হয় না বলে বন বিভাগ জানিয়েছে। মির্জাপুরে যে সব করাত কল গড়ে উঠেছে তাদের কোন অনুমোদন নেই ।

এ ব্যাপারে উপজেলা বন কর্মকর্তা (রেঞ্জ অফিসার) মোঃ আতাউল মজিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বন অধ্যাদেশ আইনে বনাঞ্চলের ১০ কিলোমিটারের মধ্যে করাত কল বসানোর জন্য সরকারি কোন বিধান নেই। সেই হিসেবে মির্জাপুরে করাত কল মালিকদের করাত কল বসানোর জন্য সরকারিভাবে অনুমোদন দেয়া হয়নি। যারা করাত কল বসিয়েছে এগুলো সম্পূর্ণ অবৈধ।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, অবৈধ করাত কলের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যে বেশ কিছু অবৈধ করাত কল বন্ধ করা হয়েছে এবং জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এ অভিযান চলমান থাকবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৩১ মে, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৪
যোহর১১:৫৬
আসর৪:৩৬
মাগরিব৬:৪৪
এশা৮:০৭
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৯
পড়ুন