রাজশাহী সীমান্তে ভারতীয় গবাদিপশুর আমদানি বৃদ্ধি
তবু বেড়ে চলেছে মাংসের দাম
রাজশাহী অফিস২৭ আগষ্ট, ২০১৫ ইং
ভারত সরকারের কড়াকড়িতে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল রাজশাহী সীমান্ত পথে ভারতীয় গবাদিপশুর আমদানি। সম্প্রতি বৃহত্তর রাজশাহী সীমান্তপথে আবারো ভারতীয় গবাদিপশু আমদানি বেড়েছে। পবিত্র ঈদ-উল আযহাকে সামনে রেখে হাট-বাজারে ভারতীয় গবাদিপশুর আমদানি বেড়েছে বলে জানা গেছে। তবে আমদানিকৃত পশুর বেশির ভাগই মহিষ, যেগুলোর অধিকাংশই আসছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত পথে। অল্প কিছু আসছে রাজশাহী সীমান্ত পথে। গরু পাচারে ভারত সরকারের এখনো কড়াকড়ি থাকলেও মহিষের ব্যাপারে তেমন কড়াকড়ি নেই বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজশাহীর সিটি বাইপাস গরু হাটের ব্যবসায়ী আনিসুল হক বলেন, ‘মাঝে ভারত থেকে পশু আমদানি প্রায় বন্ধ ছিল। এতে করে রাজশাহীতেও গরু ও গরুর মাংসের দাম বেড়ে যায়। রাজশাহীতে এখনো প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৩৬০ টাকা কেজি দরে। অথচ ৬ মাস আগেও প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে সর্বোচ্চ ৩২০ টাকা দরে।’

তিনি আরো জানান, ভারতীয় পশু আমদানি প্রায় শূন্যের কোঠায় নামার কারণে হাটে শুধু দেশি গরু-মহিষ বিক্রি হতো। তবে চাহিদার তুলনায় সেগুলোরও পরিমাণ কম ছিল। তবে বর্তমানে গত মাস খানেক ধরে ভারত থেকে আবারো পশু আমদানি বেড়েছে। সেইসঙ্গে হাটেও পশু আমদানির পরিমাণ বেড়েছে। তবে দাম এখনো আগের মতোই আছে।

একই হাটের আরেক ব্যবসায়ী নাজিরুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের আগে গরু-মহিষের আমদানি না বাড়লে এবার কোরবানির পশুর দাম বাড়তে পারে।’ সিটি হাটের ইজারাদার আতিকুর রহমান কালু বলেন, ‘সপ্তাহে দুদিন বুধ ও রবিবারে সিটিহাট বসে। বর্তমানে প্রতি হাটে গড়ে অন্তত দেড় হাজার পশু আসছে। এর মধ্যে মহিষের সংখ্যাই বেশি।’ তিনি আরো বলেন, ‘মাঝে ভারতীয় গবাদিপশু আমদানি প্রায় বন্ধ থাকায় সিটিহাট ফাঁকা হতে শুরু করেছিল। এখন আবার ভারতীয় পশু আমদানিতে হাট জমতে শুরু করেছে। জানতে চাইলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) রাজশাহী সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল কেএম ফেরদাউসুল সাহাব বলেন, ‘সীমান্ত পথে ভারতীয় গবাদিপশু আমদানি আবারো প্রায় স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। যারা সরকারকে রাজস্ব দিয়ে করিডরের মাধ্যমে বৈধভাবে পশু আমদানি করে, তারা এখনো সেটিই করছেন।’

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:২০
যোহর১২:০১
আসর৪:৩৩
মাগরিব৬:২৫
এশা৭:৪০
সূর্যোদয় - ৫:৩৮সূর্যাস্ত - ০৬:২০
পড়ুন