কুড়িগ্রামে চলছে লবিং ও প্রচারণা
কুড়িগ্রামে চলছে লবিং ও প্রচারণা
কুড়িগ্রামে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। ইতোমধ্যে নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছেন সম্ভাব্য মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরা। কুড়িগ্রাম পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ৪ প্রার্থী ও বিএনপির ২ জন প্রার্থী মাঠে রয়েছেন। দলীয় প্রতীকে পৌরসভা নির্বাচন বিষয়ে সরকারের অধ্যাদেশ জারির পর আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে কে-কোন্ দলের প্রার্থী হচ্ছেন তা নিয়ে চলছে আলোচনা-জল্পনা-কল্পনা।

কমিশন নির্বাচনের তারিখ ঘোষণায় কেউবা সরাসরি কেউবা আবার নানা কায়দায় প্রার্থিতার বিষয়টি জানান দিচ্ছেন ভোটারদের। দলীয় প্রতীক পেতে প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে সম্ভাব্য মেয়র, কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীরা জোর লবিং শুরু করেছেন। লবিং এ এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তারা দলীয় মনোনয়ন লাভের আশায় জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তত্পরতায় ভোটারদের মাঝেও বিরাজ করছে নির্বাচনী আমেজ। অনেক আগে থেকেই প্রার্থীদের ব্যানার-পোস্টার টাঙিয়ে দেয়া হয়েছে বিভিন্ন স্থানে।

দীর্ঘদিন ধরে কাউন্সিল না হওয়া, আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়া, কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে সমন্বয়হীনতার কারণে জাতীয় পার্টির প্রার্থীর প্রার্থিতার সংকট চরমে। বিএনপি এ নির্বাচনে একটু বেশি গুছিয়ে এগুচ্ছে বলে জানা গেছে। দলটি আর কোনো ভুল করতে চায় না বলে কাজও শুরু করেছে আগে থেকেই। কুড়িগ্রাম পৌরসভায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে।

কুড়িগ্রাম পৌরসভায় আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পৌর চেয়ারম্যান মো. কাজিউল ইসলাম, পৌর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদুল হাসান দুলাল, জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান আহ্বায়ক আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট মো. রুহুল আমিন দুলাল। এ ছাড়া প্রতিটি নির্বাচনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা সাবেক পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল জলিল স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে প্রচারণা চালাচ্ছেন। তবে জাতীয় পার্টি বা ১৪ দলীয় জোট থেকে তিনি প্রার্থী হতে পারেন বলেও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে।

বিএনপি থেকে দলের সমর্থন পেতে প্রতিযোগিতা করছেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও বর্তমান মেয়র নুর ইসলাম নুরু এবং জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও সাবেক মেয়র আবু বকর সিদ্দিক। জাতীয় পার্টির কোনো প্রার্থীর নাম এখনো শোনা যাচ্ছে না। নেই কোনো দলীয় তত্পরতাও।

কুড়িগ্রাম জেলা জাতীয় পার্টির সদস্য সচিব রেজাউল করিম রেজা জানান, পৌর নির্বাচনে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো প্রার্থী নেই। দল সিদ্ধান্ত নিয়ে সময়ের মধ্যে প্রার্থিতা দিতে পারে।

কুড়িগ্রাম জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান রানা জানান, দলীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন দেয়া হচ্ছে। বিএনপি আর কোনো ভুল করবে না। তাই সবদিক গুছিয়ে প্রচারণার কাজও শুরু হয়েছে। দলের সিদ্ধান্ত সবাই মেনে নিয়ে মনোনীত প্রার্থীকে সমর্থন দেবে। সরকার স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে দিলে জেলার ৩টি পৌরসভাতেই তাদের প্রার্থী জনগণের সমর্থন নিয়ে বিজয় লাভ করবে।

কুড়িগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি মো. জাফর আলী জানান, জেলা কমিটির ৬ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি যাচাই-বাছাই করে সর্বসম্মতিক্রমে দলীয় প্রার্থীর চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করেছে। এই তালিকা কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী বরাবর পাঠানো হবে। সেখান থেকে তিনি চূড়ান্ত প্রার্থীর নামের তালিকা ঘোষণা দিলে তা প্রকাশ করা হবে। যাকে দলীয়ভাবে মনোনয়ন দেয়া হবে তার হয়ে দলের সকল নেতাকর্মী কাজ করবে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:০৪
যোহর১১:৪৮
আসর৩:৩৫
মাগরিব৫:১৪
এশা৬:৩১
সূর্যোদয় - ৬:২৪সূর্যাস্ত - ০৫:০৯
পড়ুন