চাকরির পেছনে ছোটা মানুষের সৃষ্টিশীলতাকে হত্যা করে: ড. ইউনূস
১৩ জুন, ২০১৬ ইং
চাকরির পেছনে ছোটা মানুষের সৃষ্টিশীলতাকে হত্যা করে: ড. ইউনূস
নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ী প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান ডিয়েগোর আমেরিকান গ্র্যাজুয়েটদের চাকরির পরিবর্তে বরং নিজেদের অন্তর্নিহিত সৃষ্টিশীল শক্তিকে কাজে লাগানোর আহবান জানিয়েছেন। তিনি চাকরির পেছনে ছোটাকে একটি কৃত্রিম অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর দাঁড়িয়ে থাকা “নিয়োগের স্বৈরাচার” বলে আখ্যায়িত করেন। যা মানুষের সৃষ্টিশীলতাকে হত্যা করে। বিশ্ববিদ্যালয়টির সকল ক্যাম্পাসের সম্মিলিত সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মূল সমাবর্তন বক্তা হিসেবে বক্তৃতা প্রদানকালে ড. ইউনূস দশ সহস্রাধিক গ্রাজুয়েটের প্রতি এই আহবান জানান। গত শনিবার ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ইউনূস সেন্টারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

ড. ইউনূস নবীন গ্র্যাজুয়েটদেরকে নিজেদের দেখাশোনার চেয়েও বেশি কিছু করতে অনুপ্রাণিত করেন। তিনি বলেন, “তোমাদের সামনে একটি বিশাল পৃথিবী অপেক্ষা করছে। তোমাদের প্রত্যেকের ভেতরে অপরিসীম ক্ষমতা রয়েছে। তোমরা যদি শুধু নিজেদের জন্যও এই ক্ষমতা ব্যবহার করো, তোমরা এর সামান্যই কাজে লাগাতে পারবে। তাই নিজেদের দেখাশোনার পাশাপাশি তোমরা গোটা পৃথিবীর দায়িত্বও নাওনা কেন?” তিনি আরো বলেন, তরুণরা বরাবরই অর্থপূর্ণ কিছু করতে চায়, কিন্তু সে সুযোগ তারা সব সময় পায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রদীপ খোসলা বলেন, “আমরা নিশ্চিত যে, ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান ডিয়েগোর চলতি বছরের গ্র্যাজুয়েটরা পৃথিবীতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ভূমিকা রাখবে।” তিনি বলেন, “আমাদের বর্তমান ও প্রাক্তন সকল ছাত্র সাহসী ও উদ্ভাবনশীল। তারা আমাদের প্রধান সমাবর্তন বক্তা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের মতো যে-কোনো প্রত্যাশাকে চ্যালেঞ্জ করতে ও দিগন্তকে প্রসারিত করতে সক্ষম।”

সমাবর্তন বক্তৃতা প্রদানের পূর্বে প্রফেসর ইউনূসকে আনুষ্ঠানিকভাবে “উপাচার্য পদক” প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রদীপ খোসলা। ১৯৬০ সালে এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এ পর্যন্ত ১১ জন ব্যক্তিকে এই পদক প্রদান করা হয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, সান ডিয়েগো ১৬ বছরে প্রথম তার সকল ক্যাম্পাসের সম্মিলিত সমাবর্তন অনুষ্ঠান আয়োজন করল। দশ হাজারের বেশি ছাত্র-ছাত্রী সমাবর্তন অনুষ্ঠানে তাদের সনদপত্র গ্রহণ করেছে। সর্ব-বিশ্ববিদ্যালয় গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানের পর কলেজগুলো তাদের অনুষ্ঠান আলাদাভাবে উদযাপন করে।

 

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন