ছাত্রসংসদ নির্বাচনের জন্য আইন অনুযায়ী সরকার সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারে না :শিক্ষামন্ত্রী
২৭ জুলাই, ২০১৬ ইং
g  ইত্তেফাক রিপোর্ট

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, আমরা (সরকার) চাই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ছাত্রসংসদ নির্বাচনের আয়োজন করুক। এই নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষগুলোর। আইন অনুযায়ী সরকার কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দিতে পারে না, সরকার হয়তো অনুরোধ করতে পারে। গতকাল মঙ্গলবার সংসদে প্রশ্নোত্তরকালে জাতীয় পার্টির (জাপা) পীর ফজলুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

একই প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচন হচ্ছে না। তবে একেবারে কোথাও হচ্ছে না সেটাও ঠিক নয়, অবশ্য এটা যথেষ্ঠ নয়। এখানে একটা কথা বলা দরকার, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সরকারের অর্থ শতভাগ, কিন্তু সরকারের ক্ষমতা শূন্য। এই ব্যবস্থা ভালো নয়। শিক্ষার্থীরা যেন গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন ও রাজনৈতিক সচেতন হতে পারে সেজন্য এসব নির্বাচন হওয়া দরকার।

সরকারি দলের সদস্য অ.খ.ম জাহাঙ্গীর হোসাইনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ বলেন, এত চেষ্টা করার পরেও এবার কলেজগুলোতে প্রায় সাত লাখ আসন শূন্য থাকছে। সাতশটি প্রতিষ্ঠানে ভর্তির  জন্য আবেদন করেছেন মাত্র এক-দু’জন করে। এজন্য অনেকটা বাধ্য হয়েই স্কুলের অনুমোদন দিতে হচ্ছে সরকারকে। অনুমোদনের জন্য চাপ এতটাই যে, এখন আমার নিজেরই কোনো জবাব নেই। বলতে পারেন চাপের কারণে প্রতিদিন ৪-৫টি স্কুল প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দিতে হয়।

সরকারি দলের হুইপ আতিউর রহমান আতিকের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্কুল-কলেজের নতুন ভবন নির্মাণের জন্য অর্থ পেতে নানাভাবে চেষ্টা করছি। এই খাতে অর্থ মন্ত্রণালয় যে পর্যন্ত স্থায়ী বরাদ্দ না দেবে, সে পর্যন্ত এক্ষেত্রে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। মন্ত্রণালয় থেকে ইতোমধ্যে সকল এমপিকে চিঠি দিয়ে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ২০টি স্কুল-কলেজ-মাদ্রাসার  তালিকা চাওয়া হয়েছে। তালিকা পাওয়ার পর সেগুলোর ভবন নির্মাণে উদ্যোগ নেয়া হবে।

বরিশাল-৫ আসনের বেগম জেবুন্নেসা আফরোজের এক প্রশ্নের জবাবে নাহিদ জানান, বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা এবং সরকার প্রদত্ত জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫’র আলোকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির নির্দেশিকাটি অধিকতর সংশোধনের জন্য ৯ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সুপারিশ পাওয়ার পর নির্দেশিকাটি শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে।

পরবর্তীতে বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ প্রাপ্তিসাপেক্ষে এ নির্দেশিকার অনুসরণে বাস্তবতা ও প্রয়োজনীয়তার নিরিখে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২৭ জুলাই, ২০২১ ইং
ফজর৪:০২
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪৪
মাগরিব৬:৪৭
এশা৮:০৮
সূর্যোদয় - ৫:২৫সূর্যাস্ত - ০৬:৪২
পড়ুন