বন্য হাতিটির আক্রমণে আহত ৪
উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত
ভারতের আসাম থেকে বানের পানিতে ভেসে আসা বন্য হাতিটির আক্রমণে গত শনিবার রাতে চারজন আহত হয়েছে। আহতরা হলো- সৈয়দপুর বছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আতাউর রহমান, তার স্কুলের নির্মাণ কাজে কর্মরত রাজমিস্ত্রী আ. ছালাম (৫৫), চর ভাটিয়ানী গ্রামের আনিছুর রহমান (২৫) ও ওই বিদ্যলয়ের ৯ম শ্রেণির ছাত্র জাহাঙ্গীর আলম। আনিছুর রহমান ও জামাল উদ্দিনকে প্রথমে স্থানীয় এক ক্লিনিকে চিকিত্সা দেয়ার পরে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

গতকাল রবিবার বিকাল পর্যন্ত বন্য হাতিটি উদ্ধার করতে পারেনি বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রতিনিধি দল। গতকাল মাদারগঞ্জের শ্যামগঞ্জ কালীবাড়ির পাশের গ্রাম মোজাআটা হতে পুনরায় সরিষাবাড়ী উপজেলার হরিপুর গ্রামে হাতিটি অবস্থান করে। হাতিটি উদ্ধারের জন্য যৌথ প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সার্বক্ষণিক পিছু নিয়েছে।

গত শনিবার ভারতের ভেটেনারি সার্জন রিতেশ ভট্টাচার্য্য বাংলাদেশি  পোষা হাতিটির উপর আরোহণ করে ট্রান্কুলাইজার গানের মাধ্যমে চেতনা নাশক ওষুধ নিক্ষেপ করে হাতিটি উদ্ধারের চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। পোষা হাতিটি কাছে যেতেই বন্য হাতিটি ধাওয়া করে। ভয়ে পোষা হাতিটি পিছু হটে। যার কারণে বন্য হাতিটিকে উদ্ধারকারী দল শুকনো স্থানে বাগে পেয়েও ধরতে পারেনি।

উল্লেখ্য, হাতিটি আসামের ঘোহাটি হতে বাংলাদেশের কুড়িগ্রামের রৌমারী হয়ে বন্যার পানিতে ভেসে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার চরাঞ্চলে পৌঁছে। সেখান থেকে গত ৯ দিন ধরে সরিষাবাড়ী উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে হাতিটি অবস্থান করে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন