নবাবগঞ্জে ভণ্ড ফকিরের আস্তানা ভেঙে দিয়েছে এলাকাবাসী
১০ আগষ্ট, ২০১৭ ইং
দোহার-নবাবগঞ্জ (ঢাকা) সংবাদদাতা

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার বান্দুরা ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মহিনউদ্দিন ওরফে মহিন ফকির নামে এক ভণ্ড ফকিরের আস্তানা ভেঙে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। বুধবার দুপুরে স্থানীয় প্রায় শতাধিক জনতা ঐ ভণ্ড ফকিরের বাড়ি-ঘরে হামলা চালায়। এই সময় তারা গ্রামের প্রধান সড়কে ভণ্ড ফকিরের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করে।

সুযোগ বুঝে কৌশলে মহিন ফকির ও তার পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যায়। মহিন স্থানীয় হামিজউদ্দিন মস্তানের ছেলে। 

এলাকাবাসী জানায়, এক সময় মহিন দিনমজুরের কাজ করতেন। ২০/২২ বছর পূর্বে তিনি ঝাড়ফুকের কাজ শুরু করেন। এলাকায় পরিচিতি লাভ করেন মহিন ফকির হিসেবে। দিনে দিনে তার ভক্তের সংখ্যা বাড়তে থাকেন। তবে বেশির ভাগ ভক্তই তার মহিলা। দীর্ঘদিন ধরে সৌদি থাকলেও ৩/৪ মাস পর পরই তিনি দেশে আসতেন। শেষ গত ৩ মাস আগে মাহিন ফকির সৌদি থেকে বাড়িতে আসেন। প্রতি বৃহস্পতিবার মহিলা ভক্তদের নিয়ে তার দরবার শরীফে বসানো হতো জলসা।

স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি মহিনের এক অন্ধ ভক্তের বোনকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে বাধ্য করার ঘটনা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। ঐ ভক্তের একাধিক ফোনালাপের রেকর্ড এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ফাঁস হয়ে যায় ফকিরের সকল ভণ্ডামী। রেকর্ডে ইসলাম ধর্ম বিরোধী কিছু কথা রয়েছে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে এলাকাবাসী। এরই জের ধরে বুধবার দুপুরে স্থানীয় শতাধিক বিক্ষুব্ধ জনতা একত্রিত হয়ে ভণ্ড ফকিরের আস্তানাসহ বসতবাড়ি গুড়িয়ে দেয়। এসময় সুযোগ বুঝে মাহিন তার স্ত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় জনতা তার শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন।

স্থানীয় একাধিক যুবক জানান, মহিন ফকির প্রথমে মহিলাদের কাছে বিশ্বস্ততা অর্জন করতেন। এরপর কৌশলে তাদের সাথে যৌন মিলন করতেন। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী মহিলাদের ভয় দেখিয়ে একাধিকবার যৌন মিলনে বাধ্য করতেন।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১০ আগষ্ট, ২০২০ ইং
ফজর৪:১১
যোহর১২:০৪
আসর৪:৪০
মাগরিব৬:৩৯
এশা৭:৫৭
সূর্যোদয় - ৫:৩২সূর্যাস্ত - ০৬:৩৪
পড়ুন