বিশ্বনাথে জীর্ণ বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল
বিশ্বনাথে জীর্ণ বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল
ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান

বিশ্বনাথ উপজেলার প্রাচীনতম প্রাথমিক বিদ্যাপীঠ সদলপুর-তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে পাঠদান। জরাজীর্ণ বিদ্যালয় ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটল সৃষ্ট এ ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। এছাড়াও একটু বৃষ্টি হলেই পানি গড়িয়ে পড়ায় পাঠদান ব্যাহত হবার পাশাপাশি অফিস কক্ষের জরুরি কাগজপত্র, শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার পুরাতন উত্তরপত্র নষ্টের উপক্রম হচ্ছে।

বিদ্যালয় সূত্র জানায়, ১৯৩৪ সালে আধা-পাকা ঘরে যাত্রা শুরু করা সদলপুর-তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০০৩-২০০৪ইং অর্থ বছরে সরকারিভাবে নতুন ভবন নির্মিত হয়। নির্মাণকাজে অনিয়মের ফলে মাত্র ১২ বছরের মধ্যেই ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

সরেজমিনে সদলপুর-তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গেলে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের প্রবেশ পথেই রয়েছে একটি পরিত্যক্ত ভবন। পাঠদান চলা ভবনের বিভিন্ন স্থানে দেখা যায় অসংখ্য ফাটল। অফিস কক্ষের মেঝেতে জমে আছে পানি। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানান, ‘বৃষ্টি হলেই ভবনের ছাদ দিয়ে ভেতরে পানি পড়ে। মেঝেতে প্রায় ৫ থেকে ৬ ইঞ্চি উচ্চতা পরিমাণ বৃষ্টির পানি জমে থাকে।’ ভবনটি যেকোনো সময় ধসে পড়লে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে— এমন আশঙ্কা করছে অভিভাবকরা। বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি সমশর মিয়া জানান, প্রায় ৫০ বছর ধরে বিদ্যালয়ের একটি ভবন পরিত্যক্ত পড়ে আছে। বর্তমান ভবনটিও পরিত্যক্ত হবার উপক্রম।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুহিউদ্দিন আহমদ বলেন, সদলপুর-তাজপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে প্রতিবেদন দেবার জন্য উপজেলা প্রকৌশলীকে বলা হয়েছে।

উপজেলা প্রকৌশলী খোন্দকার গোলাম শওকত জানান, এ ব্যাপারে তথ্য নিচ্ছি। প্রাইমারি এডুকেশন ইনফরমেশন নামে একটি সফটওয়ারে আমরা এ সব বিদ্যালয়ের ডাটাগুলো দেব। এর প্রেক্ষিতে সিদ্ধান্ত হবে কোন্ বিদ্যালয়ে নতুন শ্রেণিকক্ষ বা কী পরিমাণ বরাদ্দ দেওয়া হবে।

 

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৪:২৭
যোহর১১:৫৬
আসর৪:২৩
মাগরিব৬:১০
এশা৭:২৩
সূর্যোদয় - ৫:৪৪সূর্যাস্ত - ০৬:০৫
পড়ুন