ইছাখালী খালের ভাঙনের ঝুঁকিতে রাঙ্গুনিয়ার ঘাটচেক গ্রামবাসী
ইছাখালী খালের ভাঙনের ঝুঁকিতে রাঙ্গুনিয়ার ঘাটচেক গ্রামবাসী
রাঙ্গুনিয়া পৌরসভা এলাকার অবহেলিত একটি গ্রাম দক্ষিণ ঘাটচেক। চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের ইছাখালী খালের কালভার্টের নিকট থেকে খালের পাড়ে প্রায় আধা কিলোমিটার বিস্তৃত এই গ্রামে হাজারো পরিবারের বসবাস। গত বর্ষা মৌসুমে খালের তীব্র ভাঙন গ্রামের মানুষের মাঝে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। টানা ভারী বর্ষণে সৃষ্ট তীব্র পাহাড়ি ঢলের তোড়ে পাড়ের দীর্ঘ গাইডওয়াল ভেঙে খালের ভাঙন গ্রামের দিকে এগিয়ে এসেছে। ওই সময় ভাঙনে বসতভিটাসহ কমপক্ষে গ্রামের দেড়শ পরিবার উদ্বাস্তু হয়ে পড়ে। বর্তমানে আরও দুই শতাধিক পরিবার ঝুঁকির মুখে রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ঘাটচেক গ্রামের অংশ থেকে দুই কিলো মিটারেরও বেশি এলাকাজুড়ে একেবেঁকে ভাটিতে কর্ণফুলি নদীতে মিশেছে। কর্ণফুলির জোয়ার-ভাটার পানি ঘাটচেক গ্রাম থেকে আরও প্রায় এক কিলোমিটার উজান পর্যন্ত গড়ায়। বর্তমানে শুষ্ক মৌসুমেও খালের ভাঙন থামেনি। সামনের বর্ষায় আরও তীব্রতর হয়ে ভাঙন ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। 

স্থানীয় পৌর কমিশনার নজরুল ইসলাম জানান, খাল ভাঙন প্রতিরোধের জন্য ইতোপূর্বে পৌরসভার বরাদ্দ থেকে দীর্ঘ গাইউওয়াল নির্মাণ করা হয়েছিল।  ইছাখালী খালের এতো বেশি ভাঙন অতীতে হয়নি। গত বর্ষা মৌসুমেই ভয়াবহ আকারের ভাঙনের সূচনা হয়। খালের গাইউওয়াল বিভিন্ন স্থানে ধসে পড়েছে। গ্রামের দিকেও ভাঙছে এখন। জরুরিভিত্তিতে ঘাটচেক গ্রামের দিকে ইছাখালীর ভাঙন প্রতিরোধে ব্লক স্থাপন প্রয়োজন।

রাঙ্গুনিয়া পৌর সভার প্যানেল মেয়র মোহাম্মদ সেলিম জানান, সোনাইছড়ি মন্দির থেকে শুরু করে দক্ষিণ ঘাটচেক গ্রামে ইছাখালী ভয়াবহভাবে ভাঙছে। খালের ভাঙন প্রতিরোধের কার্যকরী ব্যবস্থার জন্য চট্টগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা হয়েছে। এছাড়া জলবায়ু ফান্ডের প্যাকেজে ভাঙন প্রতিরোধের প্রকল্পভুক্তির প্রক্রিয়া চলছে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
২০ নভেম্বর, ২০২১ ইং
ফজর৫:১৪
যোহর১১:৫৬
আসর৩:৪০
মাগরিব৫:১৯
এশা৬:৩৭
সূর্যোদয় - ৬:৩৫সূর্যাস্ত - ০৫:১৪
পড়ুন