চট্টগ্রাম বন্দরে সকল সেবার ওপর ভ্যাট আদায়ে সংকট
১১ মার্চ, ২০১৮ ইং

g চট্টগ্রাম অফিস

চট্টগ্রাম বন্দরের সকল সেবার ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করায় তা আদায়ে সংকটে পড়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বন্দরের ৬০টি সেবার ওপর গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর ভ্যাট আরোপ করেছে।

বাংলাদেশে শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কয়েক মাস আগে থেকে ভ্যাট প্রদান করা তাদের পক্ষ থেকে সম্ভব নয়। কারণ যে জাহাজটি অনেকদিন পূর্বেই পণ্য খালাস করে চলে গেছে তার থেকে কীভাবে ভ্যাট আদায় করা সম্ভব।

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন ইতোমধ্যে বন্দরের সকল সেবার ক্ষেত্রে ভ্যাট প্রদানের ব্যাপারে আপত্তি জানিয়েছে। অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আহসানুল হক চৌধুরী ইত্তেফাককে বলেন, সেবার ওপর ভ্যাট আরোপের ফলে পণ্যের আমদানির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে। কারণ শেষপর্যন্ত তা ভোক্তাদেরকেই প্রদান করতে হবে। তাছাড়া কয়েক মাস আগে থেকে এর আদায় দেখানো কোনোভাবেই যুক্তিসঙ্গ নয়। বরং ভ্যাট আদায়ের ক্ষেত্রে যৌক্তিকভাবে নির্দিষ্ট সময় দিয়ে করা উচিত।

গত ১৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর এ সংক্রান্ত নোটিস দিলে চট্টগ্রাম চেম্বার প্রতিবাদ জানিয়েছে। চট্টগ্রাম চেম্বারের পক্ষ থেকে বলা হয়, সকল পণ্যের সেবার ওপর ভ্যাট আরোপ হলে দ্রব্যমূল্য বাড়বে। উল্লেখ্য, এর আগে চট্টগ্রাম বন্দরের ২৫টি সেবার ওপর ভ্যাট প্রযোজ্য ছিল। গত বছরের শেষের দিকে এনবিআর থেকে বলা হয়, আরো কয়েক বছর পূর্ব থেকে সকল ট্যারিফ পণ্যের সেবার ওপর ১৫ ভাগ ভ্যাট ধার্য করা হউক। এর প্রেক্ষিতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২০১৮ থেকে সকল পণ্যের ওপর ভ্যাট আরোপের জন্য সুপারিশ করে অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয়ে পত্র দেয়। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর করার নির্দেশ প্রদান করে।

চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা খাতের বিষয়ে বলা হয়, পণ্য মজুদ বা সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা যায় এমন সকল প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কর্মকাণ্ড এর আওতায় পড়বে। তাছাড়া পণ্যের নিরাপদ স্ক্যানিং সেবা খাতসমূহ ও পণ্য চালানের নিষ্পত্তি বিষয়ক সকল কর্মকাণ্ডকে সেবার আওতাভুক্ত করা হয়েছে।

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ মার্চ, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৬
যোহর১২:০৯
আসর৪:২৭
মাগরিব৬:০৯
এশা৭:২১
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৬:০৪
পড়ুন