এখনো বিচার না হওয়ায় ছাত্রীদের অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্ল্লাস বর্জন
শ্রীপুরে মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ
১১ মার্চ, ২০১৮ ইং
শ্রীপুর (গাজীপুর) সংবাদদাতা

গাজীপুরের শ্রীপুরে সাগরিয়া বালিকা মাদ্রাসার সুপার নুরুল আমিন মৃধার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগের বিচার না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট মাদ্রাসার ছাত্রীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন করেছে। শনিবার সকাল ১০টায় একযোগে তারা ক্লাস বর্জন করে শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে আসে। সুপার নুরুল আমিন মৃধা আন্তঃজেলা জাল জালিয়াতির একজন সক্রিয় সদস্য বলে মাদ্রাসার বর্তমান কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষিকারা অভিযোগ করেছেন। তাদের অভিযোগ, নুরুল আমিন মৃধা শুধু নিজের কাগজপত্র জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে চাকরি নেননি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে থাকেন। গত জানুয়ারি ২০১৭ সালে ১০ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনার পর ১৩ মাস আত্মগোপন করে থাকেন তিনি। গত ৮ মার্চ নুরুল আমিন মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম ঢালীকে সাথে নিয়ে মাদ্রাসার অফিস কক্ষে প্রবেশ করে হাজিরা খাতায় টানা দেড় মাসের স্বাক্ষর করেন। শিক্ষার্থীরা টের পেয়ে শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে সভাপতির নিকট এর বিচার দাবি করে। এসময় মাদ্রাসা সুপার নুরুল আমিন ও সভাপতি রফিকুল ইসলাম ঢালী শিক্ষার্থীদের নানাভাবে ভয়ভীতি দেখান এবং অশ্লীল ভাষায় গালাগাল করেন। এ ঘটনার পর ছাত্রীরা গতকাল শনিবার সকালে একযোগে শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে এসে মাদ্রাসা সুপারের বিচারের দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস বর্জন করে।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি রফিকুল ইসলাম ঢালীর কাছে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে তিনি- ‘মাদরাসার বিষয়ে আমার কোন বক্তব্য নেই’ বলে ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। শ্রীপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ক্লাস বর্জনের বিষয়টি তিনি জেনেছেন। মাদ্রাসা সুপারের জাল জালিয়াতি ও যৌন হয়রানির বিষয়টি ৪টি তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। বিষয়টি শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাদ্রাসা অধিদপ্তর, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক ও জেলা শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা প্রয়োজন।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১১ মার্চ, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৬
যোহর১২:০৯
আসর৪:২৭
মাগরিব৬:০৯
এশা৭:২১
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৬:০৪
পড়ুন