গোপালদীর ঐতিহ্যবাহী বাঁশের হাট
০৫ এপ্রিল, ২০১৮ ইং
গোপালদীর ঐতিহ্যবাহী বাঁশের হাট
মাসুম বিল্লাহ, আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

আড়াইহাজারের গোপালদী এবং নরসিংদীর মাধবদী থানার সংযোগস্থল পুরানচর বাজারে অবস্থিত এই অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী বাঁশের হাট। দেশের নানা প্রান্ত থেকে ক্রেতারা এই হাটে বাঁশ কিনতে আসেন।

গ্রামবাংলায় এখনো অন্যতম নির্মাণ সামগ্রী হিসেবে বাঁশ ব্যবহূত হচ্ছে। ঘর নির্মাণ থেকে শুরু করে নানা কাজে বাঁশের ব্যবহার হয়ে থাকে। ঘরের খুঁটি, ওঁচা, ডুলা, পলো, পাতি, কুলা, মোড়া ইত্যাদি তৈরিতে বাঁশ ব্যবহূত হয়। আড়াইহাজার ও নরসিংদী অঞ্চলে এই বাঁশ কেনা বেচার প্রধান বাজার হচ্ছে পুরানচর। ২০ বছর আগে এই বাজার প্রতিষ্ঠিত হয়। তার আগে প্রায় তিনশ বছর ধরে তদসংলগ্ন গোপালদী বাজারে বাঁশ কেনা বেচা হতো। কিন্তু পুরানচর বাজারটি জমে ওঠার পর বাঁশের হাটটি সেখানে স্থানান্তর করা হয়। কারণ, বৃহত্তর মেঘনার তীরে গোপালদী বাজারের যে স্থানে বাঁশের হাটটি ছিল সে স্থানটি দিনে দিনে ভরাট হয়ে গেছে। ঘাটের সুবিধার্থে বাজারটি স্থানান্তর করে পুরানচর বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এই হাটে সিলেট, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকা থেকে নদীপথে বাঁশের চালান এসে থাকে। নানা আকৃতির এবং নানা নামের বাঁশ এখানে কেনা বেচা হয়। যেমন বারগ বাঁশ, ওরা বাঁশ, মাফাল বাঁশ, মুলি বাঁশ, ছিপকাঠি বাঁশ ইত্যাদি।

পুরানচর বাজারের ব্যবসায়ী ওছমান মিয়া বলেন, এখানে দিন রাত বাঁশ বেচা কেনা হয়। একটি বাঁশের মূল্য ৫০ টাকা থেকে ৩শ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। তিনি বলেন, মুলি বাঁশ ঘরের বেড়া, চালা, মাফাল বাঁশ ওঁছা, পলো, পাতি, কুলা তৈরিতে, বরাগ বাঁশ ঘরের খুঁটি, ধন্যা ( আঁড়া) তৈরিতে কাজে লাগে। গোপালদী বাজার বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব জাকির হোসেন মোল্লা জানান, প্রতিদিন এখানে লাখ টাকার বাঁশ বিক্রি হয়ে থাকে।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৫ এপ্রিল, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩০
যোহর১২:০২
আসর৪:৩০
মাগরিব৬:১৯
এশা৭:৩২
সূর্যোদয় - ৫:৪৭সূর্যাস্ত - ০৬:১৪
পড়ুন