আড়াইহাজারে জুয়েলারি ব্যবসার আড়ালে অবৈধ বন্ধকি ব্যবসা
০৬ অক্টোবর, ২০১৮ ইং
 আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা

নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে জুয়েলারি ব্যবসার আড়ালে চলছে অবৈধ বন্ধকি ব্যবসা। জানা গেছে, বণিক সমিতির লাইসেন্সকে ব্যবহার করে চলছে এই ব্যবসা।

দোকানগুলোতে চোখ ধাঁধানো ডেকোরেশন, বাহারি আলোকসজ্জা, থরে থরে সাজানো রয়েছে রকমারি ডিজাইনের স্বর্ণালঙ্কার। সবাই জানে জুয়েলারির দোকান। অথচ দোকানের পেছনে চড়া সুদে চলছে জমজমাট স্বর্ণ বন্ধকির ব্যবসা। এ অবৈধ ব্যবসার কোনো নীতিমালা নেই, স্বর্ণ বন্ধক রেখে অনেকে প্রতারিত হচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবুও আড়াইহাজারে দুই শতাধিক জুয়েলারি দোকানে কয়েকশ’ কোটি টাকার এই ব্যবসা এখন জমজমাট।

আড়াইহাজার উপজেলা পৌরসভা বাজার, ঐতিহ্যবাহী গোপালদী বাজারসহ বিভিন্ন এলাকার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিন ধরেই  এই বন্ধকি ঋণের ব্যবসা চলছে। সূত্র জানায়, বন্ধকি ব্যবসায় ১০০ টাকায় মাসে তিন থেকে পাঁচ টাকা পর্যন্ত সুদ নেওয়া হয়। বছরের হিসেবে সুদের হার দাঁড়ায় ৩৬ থেকে ৬০ শতাংশ। আড়াইহাজারে অন্যান্য অনেক ব্যবসায় ভাটা পড়লেও ভাটা পড়েনি বন্ধকি সুদের ব্যবসায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক বন্ধকি ব্যবসায়ী জানান, সোনা বন্ধক রাখা গ্রাহকদের জন্য তারা আলাদা খাতা বা ফাইল সংরক্ষণ করেন। সেখানে তাদের প্রয়োজনীয় তথ্যাদিসহ স্বাক্ষর ও ফোন নাম্বার রাখা হয়। স্বর্ণের মালিককে স্বর্ণ ও টাকার তথ্যসম্বলিত একটি কার্ডও দেওয়া হয়। শর্তানুযায়ী, কোনো ঋণগ্রহীতা একটানা তিন মাস সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারলে স্বর্ণ গলিয়ে বিক্রি করার অধিকার থাকে বন্ধকি ব্যবসায়ীদের। পাশাপাশি সুদ ও ঋণের টাকার পরিমাণ বন্ধকি সোনার দামের চেয়ে বেশি হয়ে গেলে গয়না গলিয়ে ফেলার শর্তও দেন ব্যবসায়ীরা। তবে সোনা বা গয়না গলিয়ে ফেলার আগে ব্যবসায়ীরা গ্রাহককে বিষয়টি অবহিত করার রীতি অনুসরণ করেন।

আড়াইহাজার বণিক সমিতির সভাপতি শীতল ভৌমিক বলেন, আগের মতো এখন আর বন্ধকি ব্যবসা চলে না। মূলত বণিক সমিতির মাধ্যমেই জুয়েলারি ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ বন্ধক রাখেন। আর পৌরসভা থেকে ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে স্বর্ণের ব্যবসা করা হয়।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৬ অক্টোবর, ২০২১ ইং
ফজর৪:৩৬
যোহর১১:৪৭
আসর৪:০৩
মাগরিব৫:৪৫
এশা৬:৫৬
সূর্যোদয় - ৫:৫১সূর্যাস্ত - ০৫:৪০
পড়ুন