প্রচেষ্টার গল্প
১৫ জুন, ২০১৫ ইং
২০১৩ সালের প্রথমদিকে ইকরাম উদ্দিন আবির ও আরও ৫-৬ জন তরুণের একান্ত প্রচেষ্টার মধ্য দিয়ে প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের স্কুলটির পথচলা শুরু হয়। প্রথমে খুব অল্প পরিসরে প্রায় ৩০ জন পথশিশুকে নিয়ে কার্যক্রম শুরু করে তারা। কয়েকমাসের মধ্যে খুব সংকটের মধ্যে পড়তে হয় তাদের। বিশেষ করে স্কুল চালানোর খরচ নিয়ে বেশি সমস্যা তৈরি হয়। তারপরও তারা হাল ছাড়েননি। বরং শক্তভাবে ধরেছিলেন। আর তখনই এগিয়ে আসেন বিউটেক্সের কয়েকজন ভাই এবং তাদের সংগঠন ‘বাঁধন’।  ধীরে ধীরে তাদের সাহায্য-সহযোগিতার মধ্য দিয়ে আবারও প্রাণ ফিরে পায় স্কুলটি। কোনো প্রকার পারিশ্রমিক ছাড়াই নিয়মিত ক্লাস ও অন্যান্য সব সমাজ উন্নয়নমূলক কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। তাদের স্বেচ্ছাসেবকের সংখ্যা ১৫০ জনেরও বেশি। শিশুশ্রম প্রতিরোধ, শিশু অধিকার এবং সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। তবে এটা কোনো রেজিস্টার্ড এনজিও নয় বা অন্য আর দশটি সংগঠনের মতো নয়। কিছু মানুষের ব্যক্তিগত চেষ্টা এবং কিছু ছেলেমেয়ের স্বেচ্ছাসেবক ভূমিকার কারণে বেশ ভালোভাবে এগিয়ে চলছে সংগঠনটি। ২০২৪ সালের মধ্যে সমগ্র ঢাকা শহরের প্রায় ৫০টি বস্তিতে প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের একটি করে স্কুল প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্য নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে সংগঠনটি। শিশুশ্রমকে নিরুত্সাহিত করার পাশাপাশি সামাজিক উন্নয়নমূলক কাজেও সবসময় সচল ভূমিকা পালন করে আসছে প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশন। পথশিশুদের নিয়ে আপাতত দুইটি স্কুল আছে। একটি বেগুনবাড়ি হাতিরঝিল এলাকায়, আরেকটি তেজগাঁও রেলস্টেশন বাউলবাগে। দুই স্কুল মিলে মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১২০ জন। প্রচেষ্টা ফাউন্ডেশনের এই স্কুলে সপ্তাহে ৪ দিন বিনা পারিশ্রমিকে শিক্ষা দিয়ে যাচ্ছেন বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ জন শিক্ষার্থী।


 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৫ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন