নাহিম রাজ্জাক এমপি
সংগঠিত তারুণ্য গড়ার প্রয়াসে
. ইশরাত বিনতে আফতাব১৩ জুন, ২০১৬ ইং
সংগঠিত তারুণ্য গড়ার প্রয়াসে
 

রাজনীতির মূল লক্ষ্য সাধারণ মানুষের সেবা করা, তাদের পাশে থাকা। কিন্তু বিগত দিনগুলোতে সেই লক্ষ্য থেকে আমাদের রাজনীতিবিদদের দূরত্ব ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে সময়ের সাথে সাথে বদলে যাচ্ছে রাজনীতির পটভূমি, বদলে যাচ্ছে বিগত দিনের রাশভারী রাজনীতির চেহারা। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ সরকার এগিয়ে যাচ্ছে, সেই স্বপ্নেই শামিল হয়েছেন সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাক এমপি। বর্তমানে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন শরীয়তপুর-৩ আসন থেকে নির্বাচিত হয়ে।



সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ফেসবুকে বেশ সক্রিয় থাকেন নাহিম রাজ্জাক। নিজের কর্মকাণ্ডের পাশাপাশি দলের যেকোনো কর্মকাণ্ড শেয়ার দিয়ে থাকেন সবসময়। গত ১০ জুন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও আলেম-উলামাদের জন্য গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইফতার আয়োজনের ছবি আপলোড করেন তিনি ফেসবুকে। এছাড়া জুনের ৭ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর ওমরাহ্ পালনের ছবি আপলোড করেন। একই দিনে তিনি বিমান বন্দরে মদিনার গভর্নর প্রিন্স ফয়সালের জননেত্রীকে স্বাগত জানানোর ছবিও আপলোড করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যক্রম ছাড়াও নিজের বিভিন্ন কাজের ছবিও শেয়ার করেন নাহিম। জনতা ও শিক্ষার্থীদের সাথে নিজের তোলা ছবি আপলোড করে যেন সবার সাথে একাত্মতা ঘোষণা করেন তিনি। নিজের রাজনৈতিক জীবনের পাশাপাশি পারিবারিক জীবনের ছবিও জনসাধারণের সাথে শেয়ার করতে ভোলেন না নাহিম রাজ্জাক। নিজের দুই পুত্রের ছবি প্রায়ই শেয়ার করেন। যেমন ২৪ মে তার দুই পুত্রের ছবি আপলোড করেছেন।



এর আগে ২০১৫ সালের ১৩ জুলাইও নিজের পুত্রদ্বয়ের ছবি দিয়েছিলেন ফেসবুকে। শুধু আপলোডই নয়, তার পুত্রদের জন্য সবাই কমেন্টে শুভ কামনা জানালে তিনি তাদেরকে পুনরায় ধন্যবাদ দেন কমেন্টের মাধ্যমে। সবাই যেমন তাকে এই জগতে আপন করে নিয়েছে, তিনিও তেমনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেন তার মূল্য রাখতে। শবে বরাতের রাতে শুভেচ্ছা জানান নিজের ফেসবুক ফলোয়ার এবং সেই সাথে সমগ্র দেশবাসীকে। অন্যান্য সামাজিক ও ধর্মীয় দিবসে ফেসবুকে শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়মিত শুভেচ্ছা জানান নাহিম রাজ্জাক। ১৮ মে নাহিম রাজ্জাক তার ফেসবুক পেজে নানা আব্দুল লতিফ স্মরণে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের ছবি আপলোড করেন। এর আগে তার মৃত্যু সংবাদ ও কবর দেওয়ার সময়কার মুহূর্তও শেয়ার করেছেন দেশবাসীর সাথে এবং তাদের কাছে দোয়া চেয়েছেন।



নাহিম রাজ্জাক তার শিক্ষাজীবন শুরু করেন ঢাকার স্বনামধন্য গভ. ল্যাবরেটরি স্কুলে। পরবর্তী সময়ে তিনি ভারতের দার্জিলিংয়ে অবস্থিত সেইন্ট পল স্কুল থেকে ‘ও’ লেভেল এবং আজমীরের মায়ো কলেজ থেকে ‘এ’ লেভেল সম্পন্ন করেন। তিনি যুক্তরাজ্যের লন্ডনের মিডল সেক্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিজনেস অ্যান্ড মার্কেটিং বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের কিংস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।

IMG3

যদিও শিক্ষাজীবন শেষ করে নাহিম যুক্তরাজ্যে মার্কেটিং বিষয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন, কিন্তু ২০০৪ সালের ২১ আগস্টে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর গ্রেনেড হামলায় তার বাবা আব্দুর রাজ্জাক গুরুতর আহত হওয়ার পর নাহিম দেশে ফিরে আসেন এবং রাজনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েন। ৩ বছরের রাজনৈতিক কার্যকলাপের প্রেক্ষিতে তিনি ২০০৮ সালের নবম জাতীয় নির্বাচনে প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১১ সালে তার বাবার মৃত্যুর পর তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পান এবং নির্বাচনে জয়লাভ করে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন। পরবর্তীতে ২০১৪ সালে অনুষ্ঠিত দশম জাতীয় নির্বাচনে তিনি দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং ৩৫ বছরের কম বয়সে দুই বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার বিরল গৌরব অর্জন করেন। নিজেও তরুণ হওয়ার কারণে তিনি মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে তরুণদের অংশগ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি।  তাই সারাদেশের তরুণ প্রজন্মকে এক প্ল্যাটফর্মে আনতে এবং আইন প্রণয়নে তাদের মতামতকে তুলে ধরতে গঠন করেন ‘ইয়ং বাংলা’। এছাড়া ২০১৪ সাল থেকে তিনি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে তরুণ প্রজন্মের উন্নতির সাথে যুক্ত আছেন। ২০১৫ সালে ‘ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে সাহায্য করেন। বর্তমানে তিনি সংগঠনের অন্যতম পরামর্শদাতা হিসেবে ‘ই-কমার্স’কে বাংলাদেশ ও বিশ্ব দরবারে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য কাজ করছেন।

 

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৩ জুন, ২০২১ ইং
ফজর৩:৪৩
যোহর১১:৫৯
আসর৪:৩৯
মাগরিব৬:৪৯
এশা৮:১৪
সূর্যোদয় - ৫:১১সূর্যাস্ত - ০৬:৪৪
পড়ুন