এবারের অলিম্পিকের সর্বকনিষ্ঠ প্রতিযোগী
ভূমিকম্প জয়ী গৌরিকা
শেখ হাসান হায়দার০৮ আগষ্ট, ২০১৬ ইং
ভূমিকম্প জয়ী গৌরিকা
আধুনিক অলিম্পিকের প্রবর্তক ব্যারেন পিয়ারে দ্য কুবার্তা অলিম্পিকে সবাইকে অংশ নিতে বলতেন, বলতেন খেলোয়াড়ি মনোভাব গড়ে তুলতে। তাই তো তিনি বলেছিলেন ‘জয় না প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়াই বড় কথা’। তিনি এই স্পোর্টসম্যান স্পিরিটের কথা বলেছেন সেই কোনো কালে, কিন্তু তিনি কি কখনো বুঝেছিলেন তার এই কথাই অনুপ্রেরণা জোগাবে কত আশাহীন মানুষকে! বাঁচতে শেখাবে নতুন করে, সংগ্রাম করতে শেখাবে!

এমনই এক অপরাজিতা গৌরিকা। নেপালের বাসিন্দা গৌরিকার বয়স মাত্র ১৩। বয়স এত অল্প হলেও ইতোমধ্যেই নিজের নেশা-ভালোবাসা দিয়ে বিশ্ব জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছেন তিনি। নেপালের ভয়াবহ ভূমিকম্পও টলাতে পারেনি গৌরিকাকে, তার প্রিয় কাজ থেকে দূরে রাখতে। তাই তো ভূমিকম্পকে জয় করে পুল জয় করছেন তিনি। আর এবারের অলিম্পিকে ২০৭টি দেশের ১০২৯৩ ক্রীড়াবিদের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সী ক্রীড়াবিদ গৌরিকা।

১৩ বছর বয়সটা কোনো খেলোয়াড়ের ভবিষ্যতে বড় মঞ্চে লড়াইয়ের স্বপ্ন দেখার বয়স। আর গৌরিকা এই বয়সে অলিম্পিকে দাপিয়ে বেড়াবেন সাঁতারের পুল। পদক পাওয়ার সম্ভাবনা তেমন নেই। কিন্তু আন্তর্জাতিক গেমসে পদক জেতার স্বাদ গৌরিকা এ বছরই পেয়েছেন। ২০১৬ সাউথ এশিয়ান গেমসে ফ্রিস্টাইল, ব্যাকস্ট্রোক,  থেকে একটা রুপা, তিনটি ব্রোঞ্জ পেয়েছেন গৌরিকা। সেটাও আবার গুয়াহাটিতে।

নেপালে জন্মালেও দু’বছর বয়স থেকে মা গরিমা আর বাবা পরশের সঙ্গে গৌরিকা লন্ডনের বাসিন্দা। ২০১৫-র এপ্রিলে যখন তিনি নেপালের জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে কাঠমান্ডু এসেছিলেন, দুর্ভাগ্যবশত তখনই সেই ভয়াল ভূমিকম্প হয়েছিল। যার মারাত্মক ধাক্কায় প্রায় গোটা নেপাল ছারখার হয়ে যায়। গৌরিকার সঙ্গে তার মা আর খুব ছোট্ট ভাই সৌরেনও ছিল। ‘ভয়াবহ সেই স্মৃতি’ এখনো ভুলতে পারেননি গৌরিকা। তবে সেই ভয় কাটিয়ে রিওতে নিজ দেশের পতাকা সবার উপরে ওঠাতে চান এবারের অলিম্পিকের এই কনিষ্ঠ প্রতিযোগী।

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
৮ আগষ্ট, ২০১৯ ইং
ফজর৪:০৯
যোহর১২:০৫
আসর৪:৪১
মাগরিব৬:৪০
এশা৭:৫৯
সূর্যোদয় - ৫:৩১সূর্যাস্ত - ০৬:৩৫
পড়ুন