এবারের চ্যালেঞ্জ ছিল থমকে যাওয়া রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় গতি ফেরানো
১৪ নভেম্বর, ২০১৬ ইং
এবারের চ্যালেঞ্জ ছিল থমকে যাওয়া রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় গতি ফেরানো
হলি আর্টিজান হামলার পরবর্তীতে রেস্টুরেন্ট ব্যবসার স্থবিরতা কাটাতে গত ১ জুলাই হলি আর্টিজান হামলার পরবর্তীতে আতঙ্ক আর অনিশ্চয়তায় স্থবির হয়ে পড়ে রেস্টুরেন্ট ব্যবসা। সেই স্থবির পরিস্থিতি কাটিয়ে রেস্টুরেন্টগুলোর বিক্রি বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয় এবারের ব্যাটেল অব মাইন্ডসে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের। বিশ্ববিদ্যালয় ভিত্তিক ৪ জন করে ১০টি দল গঠন করা হয়। দশটি দল দশ দিনের জন্য ঢাকার দশটি রেস্টুরেন্ট পরিচালনার দায়িত্ব পায়। রেস্টুরেন্ট উদ্যোক্তাদের পরামর্শ নিয়ে খাবারের তালিকা, খাবারের দাম, অফারের প্রচারণা, অফার নিয়ে গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া সিদ্ধান্তই উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচালনা করে এই চার তরুণ শিক্ষার্থীদের দলগুলো। কোনো ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়াই দশদিনের রেস্টুরেন্ট পরিচালনার সফলতার ভিত্তিতে চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্ধারিত হয় সেরা পাঁচটি দল। গত ২৪ অক্টোবর ২০১৬ এ অনুষ্ঠিত চূড়ান্ত পর্বের উপস্থাপনার ভিত্তিতে বেছে নেওয়া হয় সেরা তিনটি দলকে। এই বাস্তব চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে এবারের আয়োজনের সমন্বয়ক সাদ জসিম বলেন, ‘ব্যাটেল অব মাইন্ডস ২০১৬ সব পক্ষের জন্য আশীর্বাদ। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্য আশীর্বাদ, কারণ তারা ১০ দিন সত্যিকার অর্থে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেছে, নতুন অফার তৈরি করে হাতে নাতে ফলাফল পেয়েছে। রেস্টুরেন্ট মালিকদের জন্য সুবিধাজনক কারণ—হলি আর্টিজান পরবর্তী সময়ে তাদের ব্যবসায় যে স্থবিরতা ছিল, দেশ সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সেরা শিক্ষার্থীরা তাদের মেধা আর শ্রম দিয়ে নতুন করে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় গতি এনেছে। আমাদের জানা মতে, ওই দশটি রেস্টুরেন্টের অনেকগুলোতে এখনো শিক্ষার্থীদের দেওয়া অফারগুলো চালু রেখেছে। সর্বোপরি আমরা বিএটি বাংলাদেশ এই আয়োজনে লাভবান, কারণ আমরা সব দিক থেকেই সেরাদের বাছাই করতে পেরেছি। আর যারা আমাদের এখানে নিয়োগ পাবে না তাদের দক্ষতা উন্নয়নেও কাজ করতে পেরেছি।’

 

 

এই পাতার আরো খবর -
facebook-recent-activity
১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ইং
ফজর৪:৫৩
যোহর১১:৪৩
আসর৩:৩৮
মাগরিব৫:১৭
এশা৬:৩২
সূর্যোদয় - ৬:১১সূর্যাস্ত - ০৫:১২
পড়ুন